ঢাকা, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

এনসিপি নেতা নুরুজ্জামান কাফির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

২০২৬ জুলাই ২১ ২০:৩৮:৩৯

এনসিপি নেতা নুরুজ্জামান কাফির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফি, তার বাবা এবং বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযোগটি আমলে নিয়ে আদালত কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অপর দুই আসামি হলেন কাফির বাবা এ বি এম হাবিবুর রহমান এবং বড় ভাই মামুন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্তরা এক্সকাভেটর (ভেকু), ভ্যান ও খোয়া নিয়ে বিদ্যালয়ের রজপাড়া মৌজার বিএস খতিয়ান নং-১২-এর ৫৯ নম্বর দাগভুক্ত জমিতে প্রবেশ করেন। এরপর তারা জমির মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম অন্য শিক্ষকদের নিয়ে সেখানে বাধা দিতে গেলে আসামিরা তাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা বিদ্যালয়ের প্রায় ৬ শতাংশ জমি থেকে অন্তত ১ লাখ টাকার মাটি কেটে সরিয়ে নেন এবং খোয়া ফেলে রাস্তা নির্মাণ করেন। এতে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

মামলার বাদী ও বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম বলেন, রজপাড়া মৌজার একাধিক বিএস দাগে মোট ২১ দশমিক ৭৬ একর জমির মালিক খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে সরকারি খাসজমিসহ নির্ধারিত সীমানার জমি ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তাতে রাজি হননি। পরে কলাপাড়া থানায় গেলে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর তিনি আদালতে মামলা করেন এবং বিদ্যালয়ের জমি রক্ষায় ন্যায়বিচার দাবি করেন।

তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন নুরুজ্জামান কাফি। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির প্রকৃত ওয়ারিশরা সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় পাওয়ার পর তিনি তাদের কাছ থেকে বায়নামূলে জমি ক্রয় করেছেন। জমির মূল মালিকেরা তাকে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পর সেখানে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার কখনও সামনাসামনি দেখাও হয়নি।

নুরুজ্জামান কাফি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

ফের বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম

ফের বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার ছাড়িয়েছে। এর ফলে... বিস্তারিত