ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
একজন ফ্যাসিস্টের দোসর আরেকজন লালবদর: শবনম ফারিয়া
বিনোদন ডেস্ক: সহকর্মীদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ও ক্ষোভমিশ্রিত একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সেখানে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও সুখে-দুঃখে পাশে থাকার স্মৃতি তুলে ধরে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শবনম ফারিয়া লিখেছেন, ‘কিছু মানুষের এমন অদ্ভুত চেহারা দেখছি, নিজের চোখকে বিশ্বাস করাতে পারছি না, নিজের মনকে বুঝাতে পারছি না… এই মানুষগুলোর সাথে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতাম, ১২-১৫ ঘণ্টা একই মেকআপ রুম শেয়ার করতাম, লান্চ সার্ভ করলে অপেক্ষা করতাম, সবাই একসঙ্গে না হলে খেতাম না। মেকআপ, কস্টিউম, গয়না শেয়ার করতাম, তাদের খুশিতে খুশি হতাম, তারাও আমার খুশিতে খুশি হতো। দূর থেকে দেখলে দৌড়ে যেতাম, ‘আপু কতদিন পর দেখলাম।’’
এরপর তিনি লেখেন, ‘কিন্তু কী যেন বদলে গেল, কিছু কিছু আপন মানুষকে কেন যেন খুব অচেনা লাগে, তাদের চিন্তা-চেতনা এত ভিন্ন ছিল, কোনোদিন মনেই হয়নি। আমরা অ্যাক্টর্স ইক্যুইটির সবাই কী আনন্দের সাথে ভোট দিতাম, পহেলা বৈশাখে বশির ভাইয়ের দেওয়া ম্যাচিং শাড়ি পরে ছবি তুলতাম। আমরা হঠাৎ এত অপরিচিত হয়ে গেলাম কেন?’
সহকর্মীদের রাজনৈতিক পরিচয় ও অবস্থান নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। তিনি লেখেন, ‘এ এক ফ্যাসিস্টের দোসর, আবার আরেকজন ‘লালবদর’। অথচ আমাদের পরিচয় ছিল আমরা সবাই শিল্পী, আমরা সহকর্মী, আমরা একে অপরের বিপদে পাশে দাঁড়াই।’
সহকর্মীদের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতার স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। শবনম ফারিয়া লেখেন, ‘আমার বাবা যখন অসুস্থ ছিল, তারিন আপুর সঙ্গে আমার সরাসরি পরিচয় নেই, কিন্তু আমি একটা দরকারে কল করলাম, আপু তার কানেকশন দিয়ে সব ম্যানেজ করে দিল। আমি কি এই জীবনে এ উপকার ভুলতে পারব? আমার এক ফ্রেন্ড পিজিতে ভর্তি, চাঁদরাত, মামুন আঙ্কেলকে কল দিলাম, আঙ্কেল রাত ১২টায় সব ম্যানেজ করে দিল।’
রওনক ও নাসিমের সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘রওনক ভাই আর নাসিম ভাইকে আমি কী জ্বালাইছি, তা তো বলার বাইরে। আমাকে নিয়ে লিটারালি বিচারে বসতে হইসে তাদের, কোনোদিন রাগ তো দূরের কথা, উল্টো আমার হয়ে বাকিদের ফেস করতো।’
শহিদুজ্জামান সেলিমের প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘শহিদুজ্জামান সেলিম ভাইকে আমি ভাই ডাকি, কিন্তু কনসিডার করি বাবা হিসাবে। এখানে আমি আমার সিনিয়রদের কী পরিমাণ আদর পেয়েছি, সেইটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।’
স্ট্যাটাসের শেষাংশে কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের কাছ থেকে পাওয়া পারিবারিক সম্পর্কের মতো ভালোবাসার কথা তুলে ধরে শবনম ফারিয়া লেখেন, ‘আর কোনো প্রফেশনে এমন বাবা-মার মতো কলিগ কিংবা পরিবারের আদর কর্মস্থলে পাওয়া যায় বলে আমার জানা নাই। কিন্তু কী জানি হয়ে গেল আমাদের।’
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ সেপ্টেম্বর)
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- মাসে ২৫০০ টাকা বৃত্তি দেবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, জানুন আবেদন পদ্ধতি
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- ফের বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ল
- ঢাবিতে গ্রিন নেক্সাস কর্মসূচি সমাপ্ত
- মেসির ১০ নম্বর জার্সি কি অবসর নিতে পারবে?
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ