ঢাকা, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিশ্বকাপের কোটি ডলারের সুবিধা পাবে বাংলাদেশও

২০২৬ জুলাই ১৮ ১৯:০৩:২৯

বিশ্বকাপের কোটি ডলারের সুবিধা পাবে বাংলাদেশও

স্পোর্টস ডেস্ক: ১৯৩০ সালে উরুগুয়ের মাটিতে অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম আসরে অংশ নিয়েছিল মাত্র ১৩টি দল। সময়ের পরিক্রমায় সেই সংখ্যা বেড়ে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে দাঁড়িয়েছে ৪৮-এ। ২২টি আসর পেরিয়ে ২৩তম আসরে এসে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আয়োজন নতুন রূপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে রেকর্ডসংখ্যক ৪৮টি দেশ অংশ নেবে।

দলের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ফিফার আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বিশ্বকাপের পুরস্কার অর্থও। সেই আর্থিক প্রবাহের একটি অংশের সুফল পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

২০২৬ বিশ্বকাপ উপলক্ষে ফিফা মোট ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ড প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে, যা ২০২২ সালের আসরের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয়ের একটি অংশ নিয়ম অনুযায়ী সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যয় করা হয়। ফলে টুর্নামেন্ট শেষে বিশ্বের অন্যান্য সদস্য দেশের মতো বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নেও অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ফিফার অর্থ বণ্টন প্রসঙ্গে সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু বলেন, বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে আয় করে, তার একটি অংশ বাংলাদেশসহ সব সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে বণ্টন করা হয়। ফিফার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্যই হলো সদস্য দেশগুলোর ফুটবলের উন্নয়নে সহায়তা করা।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়ানোর ফলে অনেক দেশের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো এখন মনে করছে, তাদেরও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে বাছাইপর্বের প্রতিযোগিতাও আরও তীব্র হয়েছে।

২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ও ভ্রমণ ব্যয়ের জন্য শুরুতেই ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাবে। এরপর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দল পাবে আরও ১০ মিলিয়ন ডলার করে। অর্থাৎ এই দলগুলোর মোট প্রাপ্তি হবে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।

পরবর্তী ধাপগুলোতেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য আর্থিক প্রণোদনা। দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পাবে ১২ মিলিয়ন ডলার, আর শেষ ষোলো থেকে ছিটকে যাওয়া দলগুলোর জন্য বরাদ্দ থাকবে ১৬ মিলিয়ন ডলার করে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া চারটি দল পাবে ২০ মিলিয়ন ডলার।

এ ছাড়া চতুর্থ স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২৭ মিলিয়ন ডলার এবং তৃতীয় হওয়া দল পাবে ২৯ মিলিয়ন ডলার। রানারআপ দলের জন্য নির্ধারিত হয়েছে ৩৩ মিলিয়ন ডলার। আর ২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী দল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার পাবে।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক বাজারে টানা ঊর্ধ্বগতির পর বুধবার স্বর্ণের দাম কমেছে। তেলের দাম বাড়তে থাকায় মূল্যস্ফীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার... বিস্তারিত