ঢাকা, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
যেভাবে জানা যাবে প্রাথমিক বৃত্তির ফল
নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার প্রায় আড়াই মাস পর আগামী ৯ জুলাই ফল প্রকাশ করা হবে। বুধবার (১ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।
বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, বৈঠকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশের নির্দেশনা দেন। পরে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহের যেকোনো দিন ফল প্রকাশ করা সম্ভব। নির্দিষ্ট তারিখ জানতে চাইলে অধিদপ্তর ৯ জুলাইকে সম্ভাব্য দিন হিসেবে প্রস্তাব করে, যা বৈঠকে অনুমোদিত হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আরেক কর্মকর্তা জানান, ফল দ্রুত শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচিত শিক্ষার্থী অথবা তাদের অভিভাবকদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসএমএস পাঠানো হবে। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ফল জানতে অতিরিক্ত ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।
অনলাইনে ফল দেখার নিয়ম
শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ipemis.dpe.gov.bd/scholarship-results অথবা dpe.gov.bd-এ প্রবেশ করে রোল নম্বর, পরীক্ষার সাল (২০২৫/২০২৬) এবং উপজেলা নির্বাচন করে ফল দেখতে পারবেন। একই সঙ্গে ফলাফলের পিডিএফও ডাউনলোড করা যাবে।
এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানার নিয়ম
যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে নিচের ফরম্যাটে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে—
DPE <স্পেস> Thana/Upazila Code <স্পেস> Roll Number <স্পেস> 2026
এরপর বার্তাটি পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ৬ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে মেধাবৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী। মেধাবৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৭ হাজার ৫০০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ হাজার ৫০০টি বৃত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া সাধারণ বৃত্তি পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ৪১ হাজার ২৫০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ৮ হাজার ২৫০টি বৃত্তি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, বৃত্তি দেওয়া হবে দুটি ক্যাটাগরিতে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তি। উভয় ক্যাটাগরিতেই ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রী কোটা সংরক্ষিত থাকবে। ট্যালেন্টপুল বৃত্তি উপজেলা বা থানাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী এবং সাধারণ বৃত্তি ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডভিত্তিক মেধার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।
মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ৩০০ টাকা করে ভাতা পাবে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ২২৫ টাকা করে ভাতা পাবেন। আগামী বছর থেকে বৃত্তির পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৩ আগস্ট)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ আগস্ট) r
- BANZI নির্বাচন: জয়-পরাজয়ের বাইরে কমিউনিটির আমানত ও প্রত্যাশা
- ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিসিইউতে স্থানান্তরের রোডম্যাপ প্রকাশ
- ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি ডার্ক ওয়েবে বিক্রির দাবি
- স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন, প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমান
- রোববার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ
- তেজগাঁও কলেজে মঞ্চে উঠছে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’
- বাংলাদেশ স্কাউটসে নবম গ্রেডে চাকরির সুযোগ
- ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার তারিখ জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- বোর্ড সচিব বাবা, টেনেটুনে পাস করা ছেলের ফল জিপিএ-৫
- টাকার বিনিময়ে ১২০০ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন
- বাসায় ঢুকে মডেলকে কুপিয়ে হ'ত্যা