ঢাকা, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
বেকারদের খণ্ডকালীন চাকরিসহ দুই দাবি নুসরাত তাবাসসুমের
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় সংসদে শিক্ষিত বেকার তরুণদের জন্য খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি এবং ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুম। সোমবার (২২ জুন) সংসদে বাজেট বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।
নুসরাত তাবাসসুম বলেন, সরকারি চাকরিতে বর্তমানে চার লক্ষাধিক শূন্যপদ থাকলেও স্থায়ী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি অফিস-আদালতে খণ্ডকালীন বা চুক্তিভিত্তিক কাজের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে তাদের অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি আর্থিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে বৈশ্বিক কর্মবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকারি বিনিয়োগে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এর মাধ্যমে তরুণরা যেমন স্বনির্ভর হতে পারবে, তেমনি দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
প্রস্তাবিত বাজেটকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প ও ভর্তুকি থাকলেও চাকরিজীবীদের জন্য পে-স্কেল ও বোনাসের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বাজেটে কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই; বরং তাদের জন্য রয়েছে অবহেলা ও অসম্মান।
সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করে নুসরাত তাবাসসুম বলেন, “এই সংসদে আমি কার প্রতিনিধিত্ব করি? আমি সেই সমস্ত তরুণদের প্রতিনিধিত্ব করি যারা স্বপ্নবাজ; যারা বুকে দেশপ্রেম, হাতে সার্টিফিকেটের গোছা আর কাঁধে পরিবারের বোঝা নিয়ে দেশ নিয়ে চিন্তা করে। দেশের মাটিতেই থাকতে চায়, দেশেই কিছু করতে চায়। কিন্তু এই দেশ তাদেরকে কোনো সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দিতে পারছে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে স্বৈরাচার বিতাড়িত হয়েছে, তার অন্যতম চালিকাশক্তি ছিল এই তরুণরাই। বছর ঘুরে জুলাই কিন্তু পুনরায় সমাগত। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে শত শত মানুষ রাস্তায় নেমেছিল স্বৈরাচার তাড়াতে। কিন্তু দুই বছর পার হয়ে গেলেও সেই স্বৈরাচারের বিষদাঁত এখনো ভাঙা যায়নি। খুনি হাসিনা ও তার দোসররা এত মানুষ হত্যার পরেও বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নয়, বরং তারা এখনো চারদিকে সন্ত্রাস জারি রেখেছে এবং জোর গলায় হুমকি দিচ্ছে।”
নুসরাত তাবাসসুম আরও বলেন, খুনি হাসিনা তার সিংহাসন টিকিয়ে রেখেছিল কালচারাল ফ্যাসিস্টদের ব্যবহার করে। সংস্কৃতির বিভিন্ন অঙ্গন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধকে দখল করে নেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এই সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদের মোকাবিলা এবং দেশীয় সংস্কৃতি ও ইতিহাস-ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারকে আরও কার্যকর ও জোরালো উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের নিরব
- ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)
- নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশের ভিসা প্রত্যাখ্যান, বাড়ছে উদ্বেগ
- আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ২২৮ পদে নিয়োগ
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু আজ
- ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
- বিআইডব্লিউটিসি ও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
- সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর
- এসএসসি-এইচএসসিতে ফেল করলে ফের পরীক্ষা, এরপর কারিগরি শিক্ষা
- হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে ভাসছে আইফোন
- সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃ/ত্যুতে রাজনীতিতে শূন্যতা তৈরি হয়েছে: রিজভী
- ক্যাম্পাসে পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জবিতে গরু ভোজের ঘোষণা