×

ঢাকা, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

‘জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব রক্ষাই আগামীর বাংলাদেশের অঙ্গীকার’

২০২৬ অক্টোবর ১৯ ০৯:২২:৪২

‘জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব রক্ষাই আগামীর বাংলাদেশের অঙ্গীকার’

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাকে আগামীর বাংলাদেশের প্রধান অঙ্গীকার হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। গতকাল রোববার সকালে সাভার সেনানিবাসে কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, একটি আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা শুধু অস্ত্র, সরঞ্জাম কিংবা জনবলের ওপর নির্ভর করে না। এর প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ ও জনগণের আস্থার মধ্যে। সর্বোপরি, চেইন অব কমান্ডের গুরুত্ব অপরিসীম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি ইউনিটের পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড কেবল একটি পতাকা নয়। এটি ওই ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ, পেশাদারিত্ব ও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক।

জাতীয় পতাকার গৌরবময় উড্ডয়ন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের কথা প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই পতাকা অর্জনের অর্থ হলো অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের নতুন শপথ। পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব।’

বিভিন্ন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি বিনষ্টের অপচেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ‘তবে মনে রাখতে হবে, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর জন্ম হয়েছে।’

দায়িত্ব পালনের প্রতিটি পর্যায়ে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা ও সৈনিকেরা সংবিধান, আইন, সামরিক বিধিবিধান এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থাকবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারেক রহমান।

বর্তমান বিশ্বের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের ধরন ও কৌশল দ্রুত বদলে যাচ্ছে। স্থল, সমুদ্র ও আকাশের পাশাপাশি সাইবার স্পেস, মহাকাশ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং তথ্যভিত্তিক সক্ষমতা এখন জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এই বাস্তবতা বিবেচনায় দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে সময়োপযোগী করে এগিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।

প্রতিরক্ষা কার্যক্রমের বাইরেও দুর্যোগ, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৮ অক্টোবর)

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৮ অক্টোবর)

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমানোর পর বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নির্ধারিত মূল্যেই বিক্রি হচ্ছে এসব মূল্যবান... বিস্তারিত