ঢাকা, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
‘হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ক্ষমাহীন অপরাধ’
নিজস্ব প্রতিবেদক: সারা দেশে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের একটি গুরুতর ব্যর্থতা ও ক্ষমাহীন অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন অবহেলার পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জরুরি ভিত্তিতে দেশব্যাপী হামের টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করতে সক্ষম হয়েছে। এ জন্য তিনি চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি হামে সন্তান হারানো পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে জবাবদিহির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি, যাতে নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর হয়। উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, সরকার শহর ও গ্রামের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য দূর করতে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা পেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চিকিৎসকেরা রোগীদের প্রকৃত সঙ্গী। তাদের আন্তরিকতা ও পরামর্শ অনেক সময় চিকিৎসার চেয়েও বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাই পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক গুণাবলি অর্জন জরুরি।
তিনি আরও বলেন, সরকারের স্বাস্থ্যনীতি হচ্ছে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা, যাতে রোগ প্রতিরোধের মাধ্যমে চিকিৎসার চাপ কমানো যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব ইউনিটে প্রায় এক লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে, যাদের অধিকাংশই নারী।
তিনি জানান, সরকার একটি সমন্বিত ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে, যার মাধ্যমে নাগরিকদের স্বাস্থ্য তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়া জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে, যাতে চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে কেউ আর্থিক সংকটে না পড়ে।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, প্রত্যেক কর্মকর্তা নিজ নিজ এলাকায় কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। তাদের মাধ্যমে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে একটি মডেল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে রূপান্তরের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- মেঘনা গ্রুপে বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- ছাদখোলা গাড়িতে লংমার্চে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, গাড়িটি কার?