ঢাকা, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
‘হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ক্ষমাহীন অপরাধ’
নিজস্ব প্রতিবেদক: সারা দেশে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের একটি গুরুতর ব্যর্থতা ও ক্ষমাহীন অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন অবহেলার পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জরুরি ভিত্তিতে দেশব্যাপী হামের টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করতে সক্ষম হয়েছে। এ জন্য তিনি চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি হামে সন্তান হারানো পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে জবাবদিহির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি, যাতে নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর হয়। উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, সরকার শহর ও গ্রামের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য দূর করতে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা পেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চিকিৎসকেরা রোগীদের প্রকৃত সঙ্গী। তাদের আন্তরিকতা ও পরামর্শ অনেক সময় চিকিৎসার চেয়েও বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাই পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক গুণাবলি অর্জন জরুরি।
তিনি আরও বলেন, সরকারের স্বাস্থ্যনীতি হচ্ছে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা, যাতে রোগ প্রতিরোধের মাধ্যমে চিকিৎসার চাপ কমানো যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব ইউনিটে প্রায় এক লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে, যাদের অধিকাংশই নারী।
তিনি জানান, সরকার একটি সমন্বিত ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে, যার মাধ্যমে নাগরিকদের স্বাস্থ্য তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়া জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে, যাতে চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে কেউ আর্থিক সংকটে না পড়ে।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, প্রত্যেক কর্মকর্তা নিজ নিজ এলাকায় কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। তাদের মাধ্যমে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে একটি মডেল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে রূপান্তরের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের খেলা চলছে: ব্যাটিংয়ে টাইগাররা-দেখুন সরাসরি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৪ এপ্রিল)
- শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সম্ভাব্য সময় জানাল মন্ত্রণালয়
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর খেলাটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম
- ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আনতে প্রবাসীদের উৎসাহের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
- বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটি
- সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর
- এনসিপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন নিয়ে যা জানালেন রুমিন ফারহানা
- রেকর্ড মুনাফা করে ডিভিডেন্ডে চমক দেখাল ইস্টার্ন ব্যাংক
- শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দেশবাসীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের নববর্ষের শুভেচ্ছা
- কপার টি: নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি
- আগের মালিকদের হাতে ফিরছে একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংক
- ঢাবির ক্ষণিকা বাস দু/র্ঘটনায় আ/হত ৮ শিক্ষার্থী
- সময় কমিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সিদ্ধান্ত