ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
আজ ২৫ মার্চ কালো রাত, জাতীয় গণহত্যা দিবস
নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ ২৫ মার্চ, জাতীয় গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনটি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক ভয়াবহ ও বেদনাময় স্মৃতি হয়ে আছে, যখন পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর চালায় নৃশংস হত্যাযজ্ঞ।
সেদিন গভীর রাতে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিত হামলা চালায়। নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত মানুষদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে তৎকালীন ইপিআরের সদস্যদের হত্যা করা হয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের ওপর চালানো হয় নির্মম আক্রমণ।
এই বর্বর হত্যাযজ্ঞে অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারান। ইতিহাসের সেই ঘৃণ্যতম ঘটনাকে স্মরণ করে বাংলাদেশে দিনটি জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে ২৫ মার্চের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, ২৫ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নৃশংস ও বেদনাবিধুর অধ্যায়গুলোর একটি। এই রাতেই পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যরা সশস্ত্র বিদ্রোহ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ ও সাহসী করে তোলে।
এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ ও দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ। সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়েই লাখো শহীদের আত্মত্যাগে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, ২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ। কেন এই হত্যাকাণ্ড প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি—তা এখনও ইতিহাস গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি আরও বলেন, ২৫ মার্চ রাতেই চট্টগ্রামের অষ্টম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট ‘উই রিভোল্ট’ বলে আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সেই প্রতিরোধ থেকেই শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ, যা নয় মাস পর বিজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য ও তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ২৫ মার্চের গণহত্যার ইতিহাস জানা জরুরি। তিনি সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- শতবর্ষী ৮০৮ স্কুল-কলেজের তালিকা করল মাউশি
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- আত্মহ/ত্যার আগে যা লিখেছিলেন এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী
- ঢাবিতে ৮ম কুইজ ফেস্ট ও ফ্রেশার্স রিসেপশন অনুষ্ঠিত
- নতুন পে স্কেলের বাইরে থাকছেন যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী
- আবারও লংমার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি