×

ঢাকা, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

সমবায় আন্দোলন অব্যাহত থাকলে কোনো শিশু নিরক্ষর থাকত না: রিজভী

২০২৬ নভেম্বর ০৮ ২০:৫৮:০০

সমবায় আন্দোলন অব্যাহত থাকলে কোনো শিশু নিরক্ষর থাকত না: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে সমবায় আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে প্রতিটি পরিবারের সন্তানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হতো বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, একসময় সমবায় আন্দোলন সারা দেশে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছিল। সেই উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে কোনো পরিবারের সন্তান নিরক্ষর থাকত না কিংবা বিদ্যালয়ের বাইরে পড়ে থাকত না। শিক্ষা, পুষ্টি ও খাদ্যের মতো মৌলিক চাহিদা পূরণেও সমবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে গাজীপুরের কালীগঞ্জে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী।

উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের কুচিলাবাড়ি (জোড়া পাম্প) এলাকার কালব রিসোর্ট অ্যান্ড কনভেনশন হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমবায় বিভাগ। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘করব সমবায়, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’।

রিজভী বলেন, সমবায় কেবল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষা, খাদ্য ও পুষ্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। সমবায়ের শক্তিকে কাজে লাগানো গেলে সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষও উন্নয়নের সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, কালীগঞ্জে সমবায় কার্যক্রম চললেও সারা দেশে এ উদ্যোগ একইভাবে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। গ্রাম থেকে উপজেলা পর্যন্ত সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে পারলে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক মিলন ও জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূইয়া।

এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তানিয়া তাবাসসুম, কালবের চেয়ারম্যান আগস্টিক পিউরিফিকেশন, উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতারা এবং উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা, সমবায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অংশ নেন।

সভায় বক্তারা সমবায়ের মাধ্যমে মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক বৈষম্য কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত