ঢাকা, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
দেশের সব অর্জন ও সাফল্যে জিয়াউর রহমানের অবদান রয়েছে: ঢাবি উপাচার্য
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্জন ও সাফল্যের পেছনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাঁর মতে, ৭ নভেম্বরের ঘটনা না ঘটলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকে থাকত না। এমনকি বাংলাদেশ হয়তো অন্য কোনো দেশের প্রদেশ হিসেবে পরিচিত হতো।
শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকত না। দেশটি হয়তো অন্য কোনো রাষ্ট্রের প্রদেশ হিসেবে পরিচিত হতো। এ জন্য তিনি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে পরিবর্তনের সূচনা হয়।
তিনি বলেন, ওই সময়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যায়।
অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও জনতা সম্মিলিতভাবে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসান। ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে অনেকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি ছিল সিপাহি-জনতার বিপ্লব। সবাই সংহতি প্রকাশ করে একসঙ্গে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে এসেছিলেন।
জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই পরিচয়ের মধ্যে বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে উন্নয়নের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করেছেন। তাঁর হাত ধরেই তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে যায়। দেশের বর্তমান উন্নয়নের পেছনেও তাঁর অবদান রয়েছে। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে আসে। জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টিতেও তাঁর ভূমিকা ছিল বলে মন্তব্য করেন উপাচার্য।
৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, দিনটিকে শুধু একটি বিশেষ দিবস হিসেবে নয়, বরং প্রতিটি মুহূর্তে স্মরণ করতে হবে। জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ৭ নভেম্বরকে দেখতে হবে। তাঁর বক্তব্য, ‘বাংলাদেশ আমার সবার আগে বাংলাদেশ।’ এ সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জেনে নিন
- মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি
- এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল কবে, জানাল বোর্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০৩ নভেম্বর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০১ নভেম্বর)
- পুলিশের ৭৮ পরিদর্শক পদোন্নতি পেয়ে হলেন এএসপি
- বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা কি পেছাচ্ছে?
- সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার্থীদের ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে যা জানা গেল
- এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবে, জানুন বিস্তারিত
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণীর সঙ্গে যৌন বিকৃতির অভিযোগে সাবেক শিবির নেতা গ্রেপ্তার
- ঢাবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- ফের স্বর্ণের দাম বেড়েছে, ভরিতে কত?
- আজকের খেলার সময়সূচি (০১ নভেম্বর)
- প্রবাসীর সন্তানেরা পাবে শিক্ষাবৃত্তি, জানুন আবেদন পদ্ধতি
- ২০২৭ সালে সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ