ঢাকা, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
প্রতিশোধের রাজনীতি অনেক হয়েছে: রুমিন ফারহানা
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা প্রতিশোধের রাজনীতির অবসান ঘটানোর সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, প্রতিহিংসার এই চক্র দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে এবং এখন আমাদের নতুন করে চিন্তা করতে হবে।
সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুরে আয়োজিত এক গণসংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া ‘মামলা বাণিজ্য’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘মামলা বাণিজ্য সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। মামলা বাণিজ্যের ব্যাপারে শুরু থেকে কেউ কথা বলে নাই। আমি বলেছিলাম। আমি বলেছিলাম একেকটা মামলা এফআইআরে, শত-শত মানুষকে আসামি করা হয়। মিথ্যা মামলা দেয়ার জন্য পয়সা নেয়, আবার নাম কাটানোর জন্য পয়সা নেয়। আমি বার বার বলেছিলাম, এই মামলা বাণিজ্য কিন্তু ধ্বংস নিয়ে আসবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘যারা অপরাধী, যারা ফৌজদারি অপরাধ করেছেন নিশ্চয়ই তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে, কিন্তু যারা কোনো ফৌজদারি অপরাধ করেন নাই, কেবলমাত্র আপনার সঙ্গে ব্যক্তিগত ঝামেলা আছে ব্যবসা নিয়ে ঝামেলা আছে। কিংবা টাকা দিয়েছেন টাকা পান নাই। তার ফলে তার নামটাকে দেবেন না। এই মামলা বাণিজ্য আমি এই এলাকায় চলতে দেব না।’
মিথ্যা মামলা প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি থানার পুলিশ ভাইদের অনুরোধ করবো মিথ্যা মামলা যখন আসে দয়া করে তা যাচাই-বাছাই করে নেবেন।’
চক্রবৃদ্ধি হারে চলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘প্রতিশোধের রাজনীতি অনেক হয়েছে বাংলাদেশে। আর প্রতিশোধের দরকার নাই। আরেকটা শুরু হয়েছে শোন এরেস্ট। জামিন হয়ে যায় বের হওয়ার সময় জেল গেটে বের হলে আরেকটা মামলা আসে। এগুলোর পরিণতি ভালো হবে না। কোনো একটা জায়গায় আমাদের থামতে হবে। আমি পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবো আমি শোধ নিলাম। আবার নতুন যারা আসবে, তারা আমাদের ওপর শোধ নেবে। আবার আমরা আসবো, আমরা শোধ নেব। আর কত শোধ দেয়া নেয়া করবো। এবার আমাদের নতুন করে চিন্তা করা দরকার। অপরাধীদের নিশ্চয়ই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। কিন্তু নিরপরাধ বিনা অপরাধে যেন কাউকে সাজা দেয়া না হয়।’
বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব মো. মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এমরান জাহান। অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- চলছে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন (LIVE)
- পে স্কেল নিয়ে ৭ দাবি সরকারি কর্মচারীদের
- প্রথমবারের মতো নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য পেলো কুবি
- শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণ ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ
- ৫৪ জেলায় টিসিবির ডিলার নিয়োগ, আবেদন শুরু ১০ মে
- পে স্কেলের প্রস্তাবিত গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো প্রকাশ
- ঢাবিতে প্রথমবারের মতো আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি কর্মশালা
- ঢাবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল
- রবির মুনাফায় আকাশচুম্বী প্রবৃদ্ধি, ব্যাকফুটে শিপিং কর্পোরেশন
- বাংলাদেশিদের স্কলারশিপ দেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিমন্স ইউনিভার্সিটি, আবেদন শুরু
- ঈদকে সামনে রেখে মুনাফা তুলছেন বিনিয়োগকারীরা
- আজ সন্ধ্যায় সাদিক কায়েমের বিয়ে
- পদত্যাগ করলেন ঢাবি শিক্ষক মোনামি
- এমপিও শিক্ষকদের ঈদ বোনাস কবে, যা জানা গেল
- লাইফ সাপোর্টে অভিনেত্রী কারিনা কায়সার