ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩
ছুটির দিনেও তেলের পাম্পে উপচে পড়া ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সাধারণ ছুটির দিনেও শুক্রবার (৭ মার্চ) সকাল থেকেই প্রতিটি পাম্পে ছিল মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের উপচে পড়া ভিড়। কোথাও কোথাও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাকে কেন্দ্র করে চালকদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির মতো অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে।
রাজধানীর পরীবাগ এলাকায় মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে দেখা যায়, জ্বালানি তেলের জন্য আসা যানবাহনের সারি শাহবাগ মেট্রোরেল স্টেশন পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছে। দীর্ঘ লাইনে কে কার আগে তেল নেবেন, তা নিয়ে দুপুরে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে কয়েক দফা হাতাহাতি হয়। সেখানে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক উবারচালক জানান, প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর তিনি তেল পেয়েছেন। অথচ এই সময়ে তিনি অন্তত তিনটি ট্রিপ দিতে পারতেন। সংকটের ভয়ে এখন অনেকেই প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে ট্যাংক পূর্ণ করে তেল সংগ্রহ করছেন।
শহরের বিভিন্ন স্টেশনে তেল বিক্রির ওপর অলিখিত কড়াকড়ি আরোপ করতে দেখা গেছে। দৈনিক বাংলার বিনিময় ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের জন্য ২০০ টাকা এবং প্রাইভেট কারের জন্য ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দূরপাল্লার চালকরা। অন্যদিকে, রাজারবাগ সার্ভিস স্টেশন কেবল অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ ও সরকারি জরুরি যানবাহন ছাড়া সাধারণ গাড়িকে তেল না দিয়ে ফিরিয়ে দিচ্ছে। পাম্প কর্মীদের দাবি, ডিপো থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় তারা তেল সাশ্রয় করছেন।
মতিঝিল এলাকার করিম এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনের চিত্রও ছিল একই রকম। সেখানকার কোষাধ্যক্ষ জানান, ছুটির দিনে সাধারণত এমন ভিড় থাকে না। কিন্তু সরবরাহ কম আসায় এবং গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় সবাই ট্যাংক ‘ফুল’ করতে চাইছেন। অনেক চাকুরিজীবী একাধিক পাম্প ঘুরে ব্যর্থ হয়ে এখানে এসে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করছেন। মূলত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হওয়া সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধের খবরের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে এই আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
তবে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। সংশ্লিষ্ট বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাজারে এই অস্থিরতার মূল কারণ মূলত মানুষের অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা ও অমূলক দুশ্চিন্তা।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ শেষ-জেনে নিন ফলাফল
- গান-কবিতায় প্রাণবন্ত ডুপডা’র বৈশাখ উৎসব
- শিক্ষাবৃত্তি দেবে ইবনে সিনা ট্রাস্ট, আবেদন শুরু
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- ১২৩তম প্রাইজবন্ড ড্র: দেখে নিন কোন নম্বরগুলো জিতল
- ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামলো আরও ১০ ব্যাংক
- নতুন ট্রেন্ড: ক্রেয়ন স্টাইলে প্রোফাইল ছবি বানাবেন যেভাবে
- জাপানের মেক্সট স্কলারশিপে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে আবেদন শুরু
- ১:৮ অনুপাতে নতুন পে স্কেল, বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি টাকা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন নিয়ে যা জানাল মাউশি
- আর্থিক প্রতিবেদনে নয়ছয়: ৩ অডিট ফার্ম ও ৪ অডিটর নিষিদ্ধ
- টাইমস হায়ার এডুকেশন এশিয়া র্যাংকিংসে যৌথভাবে শীর্ষে ঢাবি