ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
আয় কমেছে ১৪ শতাংশ, তবুও বিএসইসির মুনাফা ২৯ কোটি টাকা
নিউজ ডেস্ক: রাজস্ব আয়ে ধাক্কা খেলেও ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কৌশলী পদক্ষেপ নিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইতিবাচক অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংস্থাটির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সামগ্রিক আয় ১৪ শতাংশ কমে ১০৫ কোটি টাকায় নেমে এলেও নিট উদ্বৃত্ত বেড়েছে ১২ শতাংশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জরিমানা, ফি ও লাইসেন্সিং খাত থেকে আয় কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। এই খাতে রাজস্ব ৩২ শতাংশ হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ কোটি ৭২ লাখ টাকায়। অন্য উৎস থেকে আয়ও ২ শতাংশ কমে ৬৫ কোটি ৩২ লাখ টাকায় নেমেছে। তবে একই সময়ে ব্যয় ২১ শতাংশ কমিয়ে ৭৫ কোটি ৮২ লাখ টাকায় নামিয়ে আনে কমিশন। বেতন-ভাতা ও প্রশাসনিক খাতে সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণের ফলেই এ সাফল্য এসেছে। সব মিলিয়ে অর্থবছর শেষে নিট উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ২৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সংস্থাটির মোট সম্পদ বেড়ে হয়েছে ৪৯৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
বিদায়ী অর্থবছরে পুঁজিবাজারে মূলধন জোগানে কমিশন সক্রিয় ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন আর্থিক উপকরণের মাধ্যমে মোট ৬ হাজার ১৭২ কোটি ৪৬ লাখ টাকার মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে ৩০৩ কোটি টাকার রাইটস ইস্যুর অনুমতি, ১১টি প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪ হাজার ৬৭১ কোটি টাকার প্রাইভেট ডেট প্লেসমেন্ট এবং ১৫টি কোম্পানিকে সাধারণ, বোনাস ও প্রেফারেন্স শেয়ারের মাধ্যমে ১ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নজরদারি জোরদার করেছে বিএসইসি। ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায় থেকে পাওয়া ২২৬টি অভিযোগের মধ্যে ২২২টির নিষ্পত্তি করা হয়েছে। অনিয়ম অনুসন্ধানে ৯২টি তদন্ত ও ৬১০টি পরিদর্শন কার্যক্রম চালানো হয়। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে ৯৮৭টি এনফোর্সমেন্ট অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর মোট ১ হাজার ৭৩ কোটি ২১ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন আদালতে কমিশনের ৫২৭টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাজারের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এবং বিদেশি বিনিয়োগ টানতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ২০২৪ সালের আগস্টে বিতর্কিত সার্কিট ব্রেকার পদ্ধতি বাতিল এবং অধিকাংশ কোম্পানির ক্ষেত্রে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া তার মধ্যে অন্যতম। কমিশনের মতে, চাহিদা-জোগানের ভিত্তিতে বাজারচালিত মূল্যব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
এমজে/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ১ম ওয়ানডে: কখন, কোথায় সরাসরি লাইভ দেখবেন যেভাবে
- বাংলাদেশ বনাম উজবেকিস্তান ম্যাচ: কখন, কোথায় সরাসরি লাইভ দেখবেন যেভাবে
- শেষ হলো বাংলাদেশ বনাম উত্তর কোরিয়ার ফুটবল ম্যাচ, জানুন ফলাফল
- জানা গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঈদের ছুটির সময়সূচি
- সোমবার থেকে সকল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা
- আগামীর বাংলাদেশে সহিংসতা নয়, বরং শান্তির রাজনীতি চায় যুবসমাজ
- ক্ষেপণাস্ত্র হা'মলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যু, দাবি ইরানি গণমাধ্যমের
- বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান: খেলাটি সরাসরি দেখুন
- চাকরির বাজারে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন শীর্ষ ১০ ডিগ্রি
- বাংলাদেশকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উজবেকিস্তান
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা মব নয়, নির্ধারিত ক্রাইম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের টিকিট মূল্য প্রকাশ, কাটবেন যেভাবে
- অবশেষে হাদি হ'ত্যার প্রধান আসামী ফয়সাল করিম গ্রেপ্তার
- জ্বালানি সংকটের আতঙ্কে শেয়ারবাজারে বড় ধস
- ব্যবসায়িক সাফল্যে নতুন রেকর্ড গড়ল লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ