ঢাকা, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

ডেনিম উৎপাদন সক্ষমতা ১৫% বাড়াল এনভয় টেক্সটাইল

২০২৬ জুলাই ১৫ ১৯:১৬:৫৯

ডেনিম উৎপাদন সক্ষমতা ১৫% বাড়াল এনভয় টেক্সটাইল

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত পোশাক খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড তাদের বার্ষিক ডেনিম ফেব্রিক (কাপড়) উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন এবং বিদ্যমান বিভিন্ন ইউনিটের কাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে কোম্পানিটি তাদের বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫ কোটি ২০ লাখ (৫২ মিলিয়ন) গজ থেকে বাড়িয়ে ৬ কোটি (৬০ মিলিয়ন) গজে উন্নীত করেছে। সবচেয়ে বড় খবর হলো, এই বাড়তি সক্ষমতা ব্যবহার করে কারখানায় ইতিমধ্যেই সফলভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়ে গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের গত ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত সভায় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির এই যুগান্তকারী বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ডকে অবহিত করা হয়। কোম্পানির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে কোনো বিশাল কারখানা বা অবকাঠামো তৈরি না করেই শুধু বিদ্যমান যন্ত্রপাতির দক্ষতা ও কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে এই দারুণ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

জানা গেছে, সুতা ও কাপড় তৈরির প্রাথমিক তথা আপস্ট্রিম পর্যায়ের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেকশন আধুনিকায়ন করার পাশাপাশি বিভিন্ন ধাপে স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেশন প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে উৎপাদন লাইনের দীর্ঘদিনের বড় একটি জটিলতা বা ‘বটলনেক’ পুরোপুরি কেটে গেছে। একই সাথে, কারখানার ব্যাক-প্রসেসিং সক্ষমতার শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ায় সামগ্রিক উৎপাদন প্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক বেশি গতিশীল ও সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে।

এনভয় টেক্সটাইল কর্তৃপক্ষের মতে, কোনো অতিরিক্ত বড় অবকাঠামো ছাড়াই এই বাড়তি উৎপাদন সক্ষমতা অর্জিত হওয়ায় কাপড়ের সামগ্রিক উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। এতে পরিচালন দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি বিদেশি বায়ার বা ক্রেতাদের বড় বড় অর্ডার অনেক দ্রুত সরবরাহ করা সম্ভব হবে। ফলস্বরূপ, বিশ্ববাজারে কোম্পানির রপ্তানি আদেশ গ্রহণের সক্ষমতাও আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে উচ্চমানের ডেনিম ফেব্রিক উৎপাদনে এনভয় টেক্সটাইল একটি সুপরিচিত নাম। আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা ব্র্যান্ডগুলোর নির্ভরযোগ্য এই অংশীদারটি দীর্ঘদিন ধরে প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে বিনিয়োগ করে আসছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সক্ষমতা বৃদ্ধি আগামী দিনে কোম্পানির সামগ্রিক উৎপাদন, বিক্রি ও নিট মুনাফা বাড়াতে অত্যন্ত ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক ভূমিকা রাখবে।

এমজে/

শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক বাজারে টানা ঊর্ধ্বগতির পর বুধবার স্বর্ণের দাম কমেছে। তেলের দাম বাড়তে থাকায় মূল্যস্ফীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার... বিস্তারিত