ঢাকা, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২

ধৈর্যের ফল ভালো হয়: মির্জা আব্বাস

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১৬:৩৭:৪৮

ধৈর্যের ফল ভালো হয়: মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা-৮ আসনে বিজয়ী হওয়ার পর ভোটার ও জনসাধারণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি নির্বাচনি অভিজ্ঞতা ও তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা জানান।

নির্বাচনে জয়ী হয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, “এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। এজন্য তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।”

ভোটের দিন নিজের উৎকণ্ঠার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “যখন শুনলাম কোনো কোনো কেন্দ্রে তারা আমাদের ব্যালট বাতিল করে দিচ্ছেন। এটাই ছিল সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত।” নিজের ধৈর্যের পরীক্ষা দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি বলেছিলাম আল্লাহ আমার অনেক ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত প্রমাণ হলো ধৈর্যের ফল ভালো হয়। তবে এটা খুব কষ্টকর ব্যাপার ছিল।”

নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, “নির্বাচন একটা আনন্দ ও উৎসবের ব্যাপার। যুদ্ধক্ষেত্র নয়। কিন্তু কেউ কেউ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে, যা কাম্য নয়। আসলে নির্বাচনের ক্ষেত্রটাকে নির্বাচনী ক্ষেত্রই রাখা উচিত। অথচ এটাকে প্রথম থেকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে ফেলা হয়েছে। শুধুমাত্র নিজেকে হাইলাইটেড করার জন্য। আর কিছু নয়।”

ঢাকা-৮ আসনের ফলাফল নিয়ে দেশজুড়ে মানুষের ব্যাপক আগ্রহের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “মানুষের আগ্রহের কারণ হলো এখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচন করেছে। তিনি কারও কারও দ্বারা খুব বিরক্ত হচ্ছেন। এ জন্য মানুষের আগ্রহটা বেশি ছিল। কারণ জনসম্মুখে যেভাবে আমাকে গালিগালাজ করা হয়েছে, এটা মানুষ আশা করেনি। এ কারণে ফলটার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন তারা।”

ভোটের মাঠে নিজের কোনো গোপন কৌশল ছিল না জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, “আসলে আমি কোনো কৌশল অবলম্বন করিনি। তবে মানুষের সামনে আমার সম্পর্কে একটা ন্যারেটিভ তৈরি করেই সে নিজেকে হাইলাইটেড করেছে। কিন্তু এটা অপকৌশল। তার জীবনে এটা প্রথম নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু আমি তো একটা করিনি। আমার সঙ্গে আগেও অনেক বাঘা-বাঘা প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু এই নির্বাচনটা একটু ব্যতিক্রম হয়ে গেছে।”

উল্লেখ্য, ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাস ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। শেষ পর্যন্ত নাটকীয়তা শেষে মির্জা আব্বাস বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন।

এসপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত