ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২

শেরপুর সংঘর্ষ নিয়ে সরকারের বিবৃতি: শান্ত থাকার আহ্বান

২০২৬ জানুয়ারি ২৯ ১২:১৭:৩১

শেরপুর সংঘর্ষ নিয়ে সরকারের বিবৃতি: শান্ত থাকার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণাকে ঘিরে ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বসার জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানের শুরুতেই চেয়ার দখল নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়, যা দ্রুত সহিংসতায় রূপ নেয়।

এ ঘটনার পর অন্তর্বর্তী সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক সহিংসতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রাণহানি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং অত্যন্ত দুঃখজনক।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জাতীয় নির্বাচনের সময়সূচি অনুযায়ী ভোটের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি ও জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দলের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শন এবং সমর্থকদের সংযত রাখার আহ্বান জানায় সরকার। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা প্রাণহানির কোনো সুযোগ নেই বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়।

সরকার জানায়, শেরপুর জেলা পুলিশ ইতোমধ্যে সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে জেলায় সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, শান্তি বজায় রাখা, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের সম্পৃক্ত করা এগুলো নিশ্চিত করার দায়িত্ব সব রাজনৈতিক দল, নেতা ও প্রচারকদের। দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে একটি শান্ত, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর।

শেষে অন্তর্বর্তী সরকার পুনর্ব্যক্ত করে যে, একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত