ঢাকা, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
এক নজরে দেখে নিন প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের নতুন পরিপত্র
নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। এখন থেকে এসব পদে নিয়োগের সুপারিশ দেবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এনটিআরসিএকে এই দায়িত্ব দেওয়া হলো।
পরিপত্র দেখতেক্লিক করুন এখানে
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫-এর ধারা ৮(ট)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এনটিআরসিএকে এ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। এই পদ্ধতি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট এবং সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদে নিয়োগ সুপারিশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
এতে আরও বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এই তিন অধিদপ্তর প্রতি বছর অন্তত একবার বা সরকার নির্ধারিত সময়ে শূন্য পদের চাহিদা এনটিআরসিএর কাছে পাঠাবে। সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী এই চাহিদা নির্ধারণ করতে হবে।
নিয়োগ সুপারিশের জন্য প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের জন্য ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন বাধ্যতামূলক।
লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি পদের শূন্য সংখ্যার সর্বোচ্চ তিন গুণ প্রার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হবে। এরপর লিখিত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মৌখিক পরীক্ষার মোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে শূন্য পদের বিপরীতে ১:১ অনুপাতে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
চূড়ান্ত তালিকায় থাকা প্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে পছন্দক্রম গ্রহণ করা হবে। একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেছে নিতে পারবেন। পছন্দের বাইরে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে যোগদানে আগ্রহী হলে অনলাইনে ‘Other Option’-এ সম্মতি দিতে হবে।
প্রার্থীর মেধাক্রম ও পছন্দ অনুযায়ী প্রতিটি শূন্য পদের জন্য একজন করে প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশ করা হবে। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সহকারী প্রধান হিসেবে নির্বাচিত প্রার্থীকে এনটিআরসিএ যে কোনো এক স্তরের প্রতিষ্ঠানের জন্য সুপারিশ বিবেচনা করতে পারবে।
নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত কোনো প্রার্থী ভুল শূন্যপদের তথ্য বা প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতার কারণে যোগদান করতে না পারলে, শূন্যপদ থাকা সাপেক্ষে মেধাক্রম ও পছন্দ অনুযায়ী পুনরায় নিয়োগ সুপারিশ দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
এনটিআরসিএ নিয়োগ সুপারিশ সম্পন্ন করার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করবে। এরপর নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান এবং ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডিকে এক মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র প্রদান করতে হবে।
পরিপত্রের শেষাংশে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত হন বা বিভাগীয় মামলায় শাস্তিপ্রাপ্ত হন, তাহলে তিনি এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করার যোগ্য হবেন না।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জেনে নিন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩১ অক্টোবর)
- নভেম্বরের শুরুতে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
- এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল কবে, জানাল বোর্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০৩ নভেম্বর)
- ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০১ নভেম্বর)
- সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় এনজিওতে চাকরির সু্যোগ, বেতন ২৫-৬০ হাজার
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)
- আজকের নামাজের সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)
- এইচএসসিতে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ ঢাকা বোর্ডে, সর্বনিম্ন বরিশালে
- অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন শিবা শানু
- ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী মির্জা ফয়সল আমীন
- পুলিশে ১৪ হাজার নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন
- এইচএসসিতে পাস করা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী