ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
জানা গেল জুবিন গার্গের মৃ’ত্যুর কারণ
বিনোদন ডেস্ক: ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও অভিনেতা জুবিন গার্গ গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। এর পর থেকেই মৃত্যুর সঠিক কারণ কি সেটা নিয়ে রহস্য যেন শেষই হচ্ছিল না। অবশেষে সেই রহস্যই উদঘাটন করেছে সিঙ্গাপুর পুলিশ।
সম্প্রতি দেশটির পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জুবিনের মৃত্যু কোনো হত্যাকাণ্ড নয়; এটি ছিল একটি দুঃখজনক দুর্ঘটনা। সমুদ্রে নেমে লাইফ জ্যাকেট পরতে অস্বীকার করাই তার মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে চিহ্নিত করা হয়েছে।
গত বছর সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করতে সে দেশে যান আসামের সংগীতজগতের এই কিংবদন্তি। কিন্তু তার পারফর্মের ঠিক আগের দিন সেখানে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মৃত্যু হয় তার। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) কোরোনার কোর্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্যই উঠে এসেছে।
তদন্তে বলা হয়, জুবিন প্রথমে লাইফ জ্যাকেট পরলেও পরে তা খুলে ফেলেন। দ্বিতীয়বার লাইফ জ্যাকেট দেওয়া হলেও তিনি তা পরতে অস্বীকার করেন এবং একা লাজারাস আইল্যান্ডের দিকে সাঁতার কাটতে শুরু করেন। সেখানে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এক পর্যায়ে ইয়টের দিকে ফিরতে গিয়ে তিনি নিস্তেজ হয়ে ভেসে যেতে থাকেন এবং তার মুখ পানির মধ্যে ছিল। সেখান থেকে দ্রুত উদ্ধার করে সিপিআর দেওয়া হলেও তাকে আর বাঁচানো যায়নি।
সিঙ্গাপুর পুলিশ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই ঘটনায় কারো বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি এবং এই গায়কের মৃত্যু সম্পূর্ণ দুর্ঘটনাজনিত কারণে হয়েছে।
সিঙ্গাপুর পুলিশ জানায়, জুবিনের উচ্চ রক্তচাপ ও মৃগী রোগের ইতিহাস ছিল। দুর্ঘটনার দিন তিনি নিয়মিত ওষুধ নিয়েছিলেন কিনা, সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অটোপসি রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘ড্রাউনিং’ বা ডুবে মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে উদ্ধারকালে শরীরে যে আঘাতগুলো পাওয়া গেছে, সেগুলো সিপিআর বা উদ্ধার কার্যক্রমের সময়ের বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, ইয়টে প্রায় ২০ জন উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে খাবার, পানীয় ও অ্যালকোহল পরিবেশন করা হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, জুবিনও অ্যালকোহল গ্রহণ করেছিলেন। টক্সিকোলজি রিপোর্টে তার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা পাওয়া যায় ৩৩৩ মিলিগ্রাম প্রতি ১০০ মিলিলিটার-যা গুরুতর মাতাল অবস্থার ইঙ্গিত দেয় এবং সমন্বয় ও প্রতিক্রিয়াশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ম্যাচ: সরাসরি দেখা যাবে এখানে LIVE
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ফুটবল ম্যাচ, দেখুন একাদশ-দেখার উপায়
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোর ম্যাচটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- ঢাবি শিক্ষককে বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী
- বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের ফুটবল ম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন এখানে
- আজ বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখবেন যেভাবে
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ঢাবির এসএম হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুস সালাম
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব