ঢাকা, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ফিলিপাইন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শুক্রবার সকালে দক্ষিণ ফিলিপাইনের উপকূলে ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে সুনামির আশঙ্কায় হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া উভয় দেশই সতর্কতা জারি করেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর নিশ্চিত করেছে।
ফিলিপাইনের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্ডানাও দ্বীপের উপকূলীয় এলাকা। কম্পনের ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে ভবনের ক্ষয়ক্ষতি দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ও দক্ষিণ ফিলিপাইনের উপকূলীয় শহরগুলোতে এক মিটারেরও বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দাভাও শহরের হাসপাতাল এলাকায় রোগীদের বাইরে পার্কিং লটে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, ভূমিকম্পের সময় রাস্তায় গাড়ি থেমে যায়, ভবনের তারগুলো দুলতে থাকে এবং মানুষ আতঙ্কে বাইরে ছুটে আসে।
দাভাও ওরিয়েন্টাল প্রদেশের গভর্নর এডউইন জুবাহিব বলেছেন, ভূমিকম্পটি অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। কিছু ভবনের ক্ষতির খবর পেয়েছি। মানায় শহরের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা রিচি ডিউইয়েন জানিয়েছেন, “অনেক শিক্ষার্থী ভয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। আমি নিজেও মাথা ঘোরা ও আতঙ্ক অনুভব করেছি। এত শক্তিশালী ভূমিকম্প জীবনে প্রথমবার অনুভব করলাম।
ফিলিপাইন প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থান করায় দেশটি প্রায়শই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত হয়। দেশটির আগ্নেয়গিরি ও ভূকম্পন সংস্থা ফিভলক্সের পরিচালক তেরেসিতো বাকলকোল বলেন, এটাই আমাদের বাস্তবতা। আমাদের প্রায়ই ভূমিকম্প, সুনামি বা অগ্ন্যুৎপাতের মুখোমুখি হতে হয়। ভয় না পেয়ে প্রস্তুত থাকা জরুরি।
মাত্র এক সপ্তাহ আগে, ৪ অক্টোবর মধ্য ফিলিপাইনের সেবু প্রদেশে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৭৪ জন নিহত হন এবং শতাধিক আহত হন। ওই ঘটনায় প্রায় ৮০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। আগের মাসে দেশটির উত্তরাঞ্চলে আঘাত হানে এক ভয়াবহ সুপার টাইফুন, যেখানে ১১ জন প্রাণ হারান।
ভূমিকম্পের পর ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষ ‘ধ্বংসাত্মক ও প্রাণঘাতী’ সুনামির আশঙ্কা প্রকাশ করলেও এক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র জানিয়েছে, প্রধান হুমকি কেটে গেছে। তবে মিন্ডানাও অঞ্চলে ২.৬ থেকে ৪.৯ মাত্রার কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।
কেএমএ
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের পদযাত্রা
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি আবেদনের সময়সূচি প্রকাশ
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
- রাজস্ব সংকটে জিপিএইচ ইস্পাত, ৯ মাসে লোকসান ১৩৫ শতাংশ
- সোমবার টানা ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব সুসংবাদ শুনতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ঢাবিতে মাদারীপুর সদর ছাত্র কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা
- শোলাকিয়া থেকে জাতীয় ঈদগাহ কোথায় কখন ঈদের জামাত, জেনে নিন বিস্তারিত
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাবি শিক্ষক, বললেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
- ফ্রান্সের উদ্দেশ্য দেশ ছাড়লেন ড. ইউনূস
- ক্যাশ ডিভিডেন্ডে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নিষেধাজ্ঞা
- সাত দিনের ছুুটিতে সীমিত পরিসরে আজও খোলা ব্যাংক