ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২
শেয়ারবাজারের কোম্পানিতে কারসাজির গন্ধ! তদন্তে নেমেছে বিএসইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কেঅ্যান্ডকিউ বাংলাদেশ লিমিটেডের শেয়ারে অস্বাভাবিক উত্থান ও লেনদেনের উল্লম্ফনের ঘটনায় তদন্তে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ারটির দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকায় বাজারে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ ও উত্তেজনা। এই কৃত্রিম উত্থানকে ঘিরে ফের প্রশ্ন উঠছে—বাজারে কারসাজির চক্র কি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে?
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, বিএসইসির সহকারী পরিচালক লামিয়া আক্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রধান শেয়রবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-কোম্পানিটির শেয়ারে কারসাজির বিষয় তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে কেঅ্যান্ডকিউ শেয়ারের অস্বাভাবিক লেনদেন ও মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন বিএসইসির কাছে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতেও বলা হয়েছে।
বাজারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ জুন কেঅ্যান্ডকিউ’র শেয়ারদর ছিল ১৯০ টাকা ৭০ পয়সা। তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে রবিবার (০৬ অক্টোবর) শেয়ারটির দাম দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে দাঁড়িয়েছেয় ৪৫০ টাকা ৯০ পয়সায়। আজ সোমবার (০৭ অক্টোবর) দর কিছুটা কমে ৪৪২ টাকা ৫০ পয়সায় অবস্থান করছে।
বিএসইসি জানিয়েছে, এই অস্বাভাবিক গতিবিধি ‘সন্দেহজনক’ এবং এতে ‘কৃত্রিম চাহিদা’ সৃষ্টির ইঙ্গিত রয়েছে। সংস্থার মতে, এ ধরনের আচরণ বাজারের স্বচ্ছতা ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে। ইতিমধ্যে স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধিদের সতর্ক করা হয়েছে, যেন কেউ ম্যানিপুলেটিভ লেনদেনে জড়িত না থাকে।
বিএসইসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এমন সন্দেহজনক লেনদেন গুরুতর বিধিভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি সিকিউরিটিজ আইনের দ্বিতীয় তফসিলের আচরণবিধি ৬ ও ৮ (যা কৃত্রিম লেনদেন ও জালিয়াতি নিষিদ্ধ করে) এবং সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০-এর বিধি ১১ (যা ন্যায্য ব্যবসা আচরণ নির্ধারণ করে) -এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আইন ভঙ্গের কঠোর সতর্কবার্তার পর বাজার সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা আরও দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি পুরো শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক সংকেত দেবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি বিএসইসি সময়মতো দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কারসাজি এবং অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। ফলে বাজার হবে আরও স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও সুরক্ষিত।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- চলছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স বনাম সিলেট টাইটান্সের ম্যাচ-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- শেয়ারবাজার স্থিতিশীলতায় বড় পদক্ষেপ নিল বিএসইসি
- রাজশাহী বনাম চট্টগ্রাম: ৯০ রানে নেই ৭ উইকেট-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শ্রদ্ধা
- ঢাকা ক্যাপিটালস বনাম রংপুর রাইডার্স: জমজমাট খেলাটি চলছে-দেখুন সরাসরি
- শেয়ারবাজার আধুনিকীকরণে বিএসইসির গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ
- মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের লোকসানের পাল্লা আরও ভারী হলো
- রাজশাহী বনাম সিলেটের জমজমাট ম্যাচটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেশেয়ারবাজার
- প্রত্যাশার বাজারে সূচকের উত্থান অব্যাহত
- স্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতিতে লেনদেন, ডিএসইতে সূচকের শক্ত অবস্থান
- ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিলেন কোম্পানির পরিচালক
- ২৫ লাখ শেয়ার হস্তান্তরের ঘোষণা উদ্যোক্তা পরিচালকের
- সূচক কমলেও স্বস্তিতে বাজার, লেনদেন বেড়েছে
- রংপুর রাইডার্স বনাম ঢাকা ক্যাপিটালসের জমজমাট খেলাটি শেষ-জানুন ফলাফল