ঢাকা, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
সবজির দামে অস্থিরতা, নাগালের বাইরে মাছ
আসাদুজ্জামান
রিপোর্টার
আসাদুজ্জামান: কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টির প্রভাবে রাজধানীর বাজাগুলোতে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। বিশেষ করে মাছ ও সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা বেকায়দায় পড়েছে।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি করলা ১০০ টাকা, উস্তা (ছোট করলা) ১২০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বরবটি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, গাজর ১২০ টাকা, কচুর লতি ৮০-১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, টমেটো ১০০-১৪০ টাকা।
কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ২৮০ টাকা থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত।
এদিকে সবজির পাশাপাশি মাছের বাজারেও লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে। রুই মাছের কেজি ৩৫০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা, কাতলা ৪২০ থেকে বেড়ে ৪৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে বেড়ে ২৪০ টাকা। দেশীয় মাছ যেমন টেংরা, শিং, কই ইত্যাদির দামও কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে।
বাজারে সরকারের কঠোর নজরদারি নেই বলেই ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। আবার কেউ কেউ বলছেন, পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ কমার কারণে দাম কিছুটা বাড়তেই পারে।
যাত্রাবাড়ীতে সবজি কিনতে আসা আরিফ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবারে পরিবারের সবাই বাসায় থাকে, তাই চাহিদাও বাড়ে। বিক্রেতারা সেটা বুঝে দাম বাড়িয়ে দেন। কিন্তু এটা তো ন্যায্য নয়।
বিক্রেতারা বলছেন, তারা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াননি। টানা বৃষ্টির কারণে গ্রাম থেকে ট্রাকে সবজি ও মাছ আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এছাড়া পরিবহন খরচও বেড়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। আমরা জোর করে দাম বাড়াচ্ছি না। পাইকারি বাজারেই মাল বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
শনির আখড়ার ব্যবসায়ী মামুন বলেন, পাইকারি বাজারের দাম বাড়লে আমাদের কিছু করার থাকে না। আমি যদি অন্যদের থেকে বেশি দামে বিক্রি করি তাহলে তো ক্রেতারা আমার থেকে নেবে না। আমি কেন বাড়তি দামে বিক্রি করব। আমারও তো পরিবার সংসার আছে। খরচ আমারও বেড়েছে।
শুক্রবারে দাম বাড়ার বিষয়ে কামরুল নামে এক বিক্রেতা বলেন, শুক্রবারে মানুষ বাজারে বেশি আসে। চাহিদাও বেশি থাকে। ফলে অনেকেই দাম কিছুটা বেশি রাখেন।
বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি রোধে সরকারের কার্যকর বাজার মনিটরিং প্রয়োজন বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলেন, মৌসুমি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগকে অজুহাত করে দাম বাড়ানো এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধারা ভাঙা জরুরি।
একে
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের খেলা চলছে: ব্যাটিংয়ে টাইগাররা-দেখুন সরাসরি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৪ এপ্রিল)
- শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সম্ভাব্য সময় জানাল মন্ত্রণালয়
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর খেলাটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আনতে প্রবাসীদের উৎসাহের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
- ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম
- শীর্ষ ১০ ইহুদিবিদ্বেষী প্রভাবশালীদের তালিকা প্রকাশ করল ইসরাইল
- সময় কমিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সিদ্ধান্ত
- বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটি
- সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর
- রেকর্ড মুনাফা করে ডিভিডেন্ডে চমক দেখাল ইস্টার্ন ব্যাংক
- শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দেশবাসীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের নববর্ষের শুভেচ্ছা
- কপার টি: নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি
- ঋণ জটিলতা ও লোকসানের পাহাড়, তবুও রহস্যজনকভাবে বাড়ছে কোম্পানির শেয়ারদর
- ঢাবির ক্ষণিকা বাস দু/র্ঘটনায় আ/হত ৮ শিক্ষার্থী