ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সবজির দামে অস্থিরতা, নাগালের বাইরে মাছ
আসাদুজ্জামান
রিপোর্টার
আসাদুজ্জামান: কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টির প্রভাবে রাজধানীর বাজাগুলোতে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। বিশেষ করে মাছ ও সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা বেকায়দায় পড়েছে।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি করলা ১০০ টাকা, উস্তা (ছোট করলা) ১২০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বরবটি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, গাজর ১২০ টাকা, কচুর লতি ৮০-১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, টমেটো ১০০-১৪০ টাকা।
কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ২৮০ টাকা থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত।
এদিকে সবজির পাশাপাশি মাছের বাজারেও লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে। রুই মাছের কেজি ৩৫০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা, কাতলা ৪২০ থেকে বেড়ে ৪৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে বেড়ে ২৪০ টাকা। দেশীয় মাছ যেমন টেংরা, শিং, কই ইত্যাদির দামও কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে।
বাজারে সরকারের কঠোর নজরদারি নেই বলেই ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। আবার কেউ কেউ বলছেন, পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ কমার কারণে দাম কিছুটা বাড়তেই পারে।
যাত্রাবাড়ীতে সবজি কিনতে আসা আরিফ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবারে পরিবারের সবাই বাসায় থাকে, তাই চাহিদাও বাড়ে। বিক্রেতারা সেটা বুঝে দাম বাড়িয়ে দেন। কিন্তু এটা তো ন্যায্য নয়।
বিক্রেতারা বলছেন, তারা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াননি। টানা বৃষ্টির কারণে গ্রাম থেকে ট্রাকে সবজি ও মাছ আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এছাড়া পরিবহন খরচও বেড়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। আমরা জোর করে দাম বাড়াচ্ছি না। পাইকারি বাজারেই মাল বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
শনির আখড়ার ব্যবসায়ী মামুন বলেন, পাইকারি বাজারের দাম বাড়লে আমাদের কিছু করার থাকে না। আমি যদি অন্যদের থেকে বেশি দামে বিক্রি করি তাহলে তো ক্রেতারা আমার থেকে নেবে না। আমি কেন বাড়তি দামে বিক্রি করব। আমারও তো পরিবার সংসার আছে। খরচ আমারও বেড়েছে।
শুক্রবারে দাম বাড়ার বিষয়ে কামরুল নামে এক বিক্রেতা বলেন, শুক্রবারে মানুষ বাজারে বেশি আসে। চাহিদাও বেশি থাকে। ফলে অনেকেই দাম কিছুটা বেশি রাখেন।
বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি রোধে সরকারের কার্যকর বাজার মনিটরিং প্রয়োজন বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলেন, মৌসুমি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগকে অজুহাত করে দাম বাড়ানো এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধারা ভাঙা জরুরি।
একে
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ম্যাচ: সরাসরি দেখা যাবে এখানে LIVE
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ফুটবল ম্যাচ, দেখুন একাদশ-দেখার উপায়
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোর ম্যাচটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- ঢাবি শিক্ষককে বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী
- বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের ফুটবল ম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন এখানে
- আজ বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখবেন যেভাবে
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ঢাবির এসএম হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুস সালাম
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- ডিএসইতে রেকর্ড উত্থান, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাড়ছে প্রত্যাশা