ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২
পাঠ্যবই খোলাবাজারে বিক্রি: গোয়েন্দা রিপোর্টে চাঞ্চল্য তথ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে শতভাগ শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো চলতি বছরও জানুয়ারির শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনা মূল্যে পাঠ্যবই তুলে দেয় সরকার। তবে সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছাতে বিলম্ব হয়; এপ্রিল মাস পর্যন্ত বই বিতরণ চলতে থাকে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একাধিক মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান খোলাবাজারে বিনা মূল্যের বই বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে।
সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, দেশের ২৩টি ছাপাখানা সরকারি বিনা মূল্যের পাঠ্যবই অবৈধভাবে বাজারে বিক্রি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব বই বিক্রির সিন্ডিকেটে ১৬ পরিবহন কনট্রাক্টরও জড়িত ছিলেন। এই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্ট ছাপাখানার মালিকদের সতর্ক করে দিয়েছে এবং মৌখিকভাবে নির্দেশ দিয়েছে, আগামী শিক্ষাবর্ষে ওই পরিবহন কনট্রাক্টরদের আর কাজ দেওয়া হবে না।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ২৩ ছাপাখানা হলো—রাব্বিল প্রেস, হাওলাদার প্রেস, মেরাজ প্রেস, ফরাজি প্রেস, ফাইজা প্রেস, শাপলা প্রেস, দিগন্ত প্রিন্টার্স, সোহাগ প্রিন্টার্স, টাইম মিডিয়া প্রেস, লেটার অ্যান্ড কালার প্রেস, মেঘদ্যুত প্রেস, টাঙ্গাইল প্রেস, আলিফ প্রেস, মৌসুমী প্রেস, জনতা প্রেস, এস আর প্রিন্টিং প্রেস, আনন্দ প্রিন্টার্স, রেদওয়ানিয়া প্রেস, অক্সফোর্ড প্রেস, মোল্লা প্রিন্টিং প্রেস, অটো প্রিন্টিং প্রেস, সৃষ্টি প্রিন্টার্স ও গ্লোবাল প্রিন্টিং প্রেস। আর সংশ্লিষ্ট পরিবহন কনট্রাক্টরদের মধ্যে রয়েছেন আবুল বাতেন, মো. শুকুর আলী, রহমত আলী, চান মিয়া, রাসেল (এমআর ট্রান্সপোর্ট), মেহেদী, আলমাস, মো. রফিক, মহিদ হোসেন, বাবুল, আক্কাস আলী, রাজিব, খলিল, জীবন, আব্দুল কাদের ও মনসুর।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিন্ডিকেটটি প্রতিটি বই মাত্র ৩০ টাকায় কিনে নেয়, অথচ ছাপাতে খরচ হয় প্রায় ৭০ টাকা। পরে সেই বই খোলাবাজারে ১৩০ টাকা করে বিক্রি করা হয়। এভাবেই বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে চক্রটি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই রাজধানীর বাংলাবাজার, নীলক্ষেত, মোহাম্মদপুর, উত্তরাসহ বিভিন্ন অভিজাত এলাকার দোকানে বিনা মূল্যের বই বিক্রি হচ্ছিল। এমনকি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অভিযোগ করেছেন, তাদের চাহিদামাফিক বই সরবরাহ করা হয়নি। ফলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বাজার থেকে বই কিনতে হয়েছে।
এএসএম/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: রেজাল্ট দেখুন এক ক্লিকে
- ইবতেদায়ি বৃত্তির ফল প্রকাশ: মোট বৃত্তি পেল ১১ হাজার ১৮০ জন শিক্ষার্থী
- সুপার এইটে পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড, যেভাবে লাইভ দেখবেন
- পুলিশে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ: আবেদনের যোগ্যতা ও নিয়মাবলী
- প্রকাশিত হলো ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফলাফল, দেখুন এখানে
- বিএসইসি'র বাঁধা, ডিভিডেন্ড দিতে পারছে না তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- সেশনজটমুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে ঢাবির যুগান্তকারী ‘লস রিকভারি প্ল্যান’
- হঠাৎ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ঢাকা
- বিক্রিতে ধস, অথচ শেয়ার দরে উল্লম্ফন: জি কিউ বলপেনের রহস্য কী?
- ডুসাসের নেতৃত্বে জিসান-সাবরিন
- জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল কাল, সহজে দেখবেন যেভাবে
- একই কক্ষপথে যাত্রা, এক বছর পর তিন মেরুতে তিন কোম্পানি
- মারা যাওয়ার আগে কী বার্তা দিলেন জাহের আলভীর স্ত্রী?
- জানুন জুনিয়র বৃত্তিতে মাসিক ও বার্ষিক ভাতার পরিমাণ
- সেন্ট্রাল ফার্মা শেয়ার স্থানান্তর কাণ্ডে ডিএসইকে তলব