ঢাকা, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
রেকর্ড ডেটে শেয়ার লেনদেন চালুর পরিকল্পনা ডিএসইর
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) রেকর্ড ডেটে শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার বর্তমান নিয়মটি বাতিল করার পরিকল্পনা করছে। এর মাধ্যমে বাজারের দক্ষতা বাড়ানো, লেনদেনে সৃষ্ট বাধা দূর করা এবং দেশের শেয়ারবাজারকে বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে ডিএসই।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ডিএসই গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-কে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে ডিপোজিটরি (ইউজার) রেগুলেশনস ২০০৩ এবং সেটেলমেন্ট অব ট্রানজেকশনস রেগুলেশনস ২০১৩ সংশোধনের অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে রেকর্ড ডেটে স্পট ট্রেডিং চালু করা যায়।
বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো কোম্পানির রেকর্ড ডেট থাকলে সেই দিন সেই শেয়ারের লেনদেন বন্ধ থাকে। রেকর্ড ডেট হলো এমন একটি তারিখ, যা নির্ধারণ করে কোন শেয়ারহোল্ডাররা বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)/বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) ভোট দিতে পারবেন এবং ডিভিডেন্ড, রাইটস বা বোনাস শেয়ারের জন্য যোগ্য হবেন।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, রেকর্ড ডেটে শেয়ার লেনদেন চালু থাকলে বিক্রেতা তাদের শেয়ারের জন্য কর্পোরেট সুবিধা পাবেন, কিন্তু ক্রেতা কোনো সুবিধা পাবেন না। ডিএসই মনে করে, এই সংস্কার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং লেনদেনকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করবে।
ডিএসইর শেয়ারহোল্ডার পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “এই উদ্যোগ শেয়ারবাজারকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবে। অন্যান্য দেশে রেকর্ড ডেটে শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকে না, এটি কেবল একটি প্রযুক্তিগত বিষয়।” তিনি আরও বলেন, “লেনদেন বন্ধ না থাকলে বাজারের তারল্য এবং লেনদেনের পরিমাণ বাড়বে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে ৩৬৫টি তালিকাভুক্ত কোম্পানি রয়েছে। যদি প্রতিটি কোম্পানির শেয়ার বছরে একদিন করে লেনদেন বন্ধ থাকে, তাহলে ৩৬৫ দিন প্রয়োজন। কিন্তু বছরে মাত্র ২২০-২২৫ দিন লেনদেন হয়। ফলে একই দিনে একাধিক কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকে, যা টার্নওভার কমিয়ে দেয় এবং বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে।”
ডিএসই তাদের চিঠিতে নিশ্চিত করেছে, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ (সিডিবিএল) প্রযুক্তিগতভাবে রেকর্ড ডেটে লেনদেন চালু করতে সক্ষম। ব্যাক-অফিস এবং ওএমএস ভেন্ডররাও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেন, গত কয়েক বছরে বাজারে ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়েনি, যা বাজারকে সংকুচিত করেছে। তারা আরও যোগ করে বলেন, উন্নত বিশ্বের শেয়ারবাজারগুলোতে লেনদেন বন্ধ না রেখেও বিনিয়োগকারীদের যোগ্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব। যদি আমাদের বাজারেও এমন ব্যবস্থা চালু করা যায়, তাহলে বিনিয়োগকারীদের কার্যক্রম বাড়বে।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- শতবর্ষী ৮০৮ স্কুল-কলেজের তালিকা করল মাউশি
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- আত্মহ/ত্যার আগে যা লিখেছিলেন এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী
- ঢাবিতে ৮ম কুইজ ফেস্ট ও ফ্রেশার্স রিসেপশন অনুষ্ঠিত
- নতুন পে স্কেলের বাইরে থাকছেন যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী
- আবারও লংমার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি