ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
এই সপ্তাহে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে পারেন স্টারমার: টাইমস
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার চলতি সপ্তাহে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস। ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির ভেতরে জোড়ালো চাপের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন স্টারমার।
সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবার পার্টির অন্তত সাতজন মন্ত্রিসভার সদস্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে। যদিও নির্বাচনী ইশতেহারে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত ছিল না, লেবার পার্টি গত বছরের জুলাই মাসে সাধারণ নির্বাচনে জয় লাভ করে ক্ষমতায় ফিরেছেন এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই।
এছাড়াও লেবার পার্টির প্রায় ১৩০ জন ব্যাকবেঞ্চ এমপি—সংসদীয় দলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ—ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ফিলিস্তিন স্বীকৃতি বিষয়ে জাতিসংঘের উদ্যোগে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন ২৮ ও ২৯ জুলাই নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সম্মেলনটির সহ-সভাপতিত্বে থাকছে ফ্রান্স ও সৌদি আরব।
এই সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের ২২০ জনের বেশি এমপি—যাদের মধ্যে লেবার পার্টির পাশাপাশি কনজারভেটিভ, লিবারেল ডেমোক্র্যাট, স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি ও প্লাইড কামরিস দলের সদস্যরাও রয়েছেন—প্রধানমন্ত্রী স্টারমারকে একটি যৌথ চিঠি দিয়েছেন। যাতে বলা হয়েছে, “আমরা আপনাকে অনুরোধ করছি, নিউ ইয়র্ক সম্মেলনের সুযোগে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করুন।”
চিঠিতে ব্রিটেনের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে, “১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা ছিল; এখন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়াও আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।”
প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র দ্য টাইমসকে জানান, কিয়ার স্টারমার এই মুহূর্তে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে একটি পরিকল্পনা ভাগাভাগি করছেন, যা দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ফিলিস্তিনিদের নিজেদের রাষ্ট্র গঠনের অধিকারকে সম্মান জানিয়ে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
স্টারমারের এমন পদক্ষেপকে লেবার সরকারের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলীয় অভ্যন্তরে এবং সংসদীয় রাজনীতিতে ক্রমবর্ধমান চাপ, আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিত এবং জাতিসংঘের চলমান উদ্যোগ—সব মিলিয়ে এই সিদ্ধান্তের তাৎপর্য আরও বেড়ে গেছে।
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটবে বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সেই সঙ্গে এটি হতে পারে একটি স্পষ্ট বার্তা—ব্রিটেন শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকায় রয়েছে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- দেশে সোনার দামে বড় পতন
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- নবনিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য মোর্শেদ হাসান খানকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শুভেচ্ছা
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে ভাইভার সময়সূচি নিয়ে যা জানা গেল
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে