ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২

ইসরায়েলের প্রতিরোধের ক্ষমতা ফুরিয়ে আসছে

২০২৫ জুন ১৮ ১৪:৩২:৩৬

ইসরায়েলের প্রতিরোধের ক্ষমতা ফুরিয়ে আসছে

ইসরায়েল টানা ছয়দিন ধরে ইরানে নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। থেমে নেই ইরানও শত্রুপক্ষের পাল্টা জবাবে ঘাম ছুটিয়ে দিচ্ছে। ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র বহরের সামনে যে এখনও দাঁড়িয়ে আছে ইসরায়েল তার বেশিরভাগ কৃতিত্বই সর্বাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার, যা তিনটি শক্তিশালী স্তরে বিন্যস্ত। কিন্তু এভাবে আর কতদিন ইসরায়েল নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। কারণ, ইরানের টানা হামলা ঠেকাতে গিয়ে ফুরিয়ে আসছে তাদের অ্যারো মিসাইলের মজুত এবং সব রকম প্রতিরোধের ক্ষমতা।

বুধবার (১৮ জুন) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা ও রয়টার্স।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ইরানের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে গিয়ে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা অস্ত্র ‘অ্যারো মিসাইল’-এর মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। এতে করে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সক্ষমতায় বড় ধস দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র এই সংকট সম্পর্কে আগেই অবগত ছিল। সে অনুযায়ী ওয়াশিংটন কয়েক দফায় ইসরায়েলের স্থল, নৌ ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সহায়তা দিয়েছে।

তবে শুধু অ্যারো নয়, ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও দুটি স্তরের ওপর দাঁড়িয়ে আছে ‘আয়রন ডোম’ ও ‘ডেভিডস স্লিং’। কিন্তু ইরানের টানা ছয়দিনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এই দুটি প্রতিরক্ষা স্তরেরও উল্লেখযোগ্য ক্ষয় হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য, অ্যারো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার উৎপত্তি হয়েছিল ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়, যখন ইরাক থেকে ইসরায়েলে স্কাড মিসাইল ছোড়া হয়েছিল। এরপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করে। অ্যারো ৩, যা দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল ধ্বংসে সক্ষম, ২০২৩ সালে প্রথম ব্যবহার হয় হুতি বিদ্রোহীদের মিসাইল ঠেকাতে।

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত