ঢাকা, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
জামিন পেলেন বিডিআরের আরও ৪০ জওয়ান
ডুয়া ডেস্ক: ২০০৯ সালের আলোচিত পিলখানা বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় কারাগারে থাকা আরও ৪০ জন বিডিআর জওয়ান জামিন পেয়েছেন।
ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২–এর বিচারক ইব্রাহিম মিয়া গত ৮ মে এই জামিন মঞ্জুর করেন বলে জানা গেছে ১২ মে, আদালত সূত্রে। তথ্যটি নিশ্চিত করেন ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাৎ হোসেন।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর মো. বোরহান উদ্দিন জানান, জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে কয়েকজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিও রয়েছেন।
জামিন পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন: রেজাউল করিম, শাজাহান, রফিকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, মো. শামীম, ওয়ালি উল্লাহ, হাবিবুর রহমান, তারিকুল ইসলাম, বনি আমিন চৌধুরী, মো. এ বারিক, ইমতিয়াজ আহমেদ নবীন, মোয়াজ্জেম হোসেন, মিজানুর রহমান, সিদ্দিকুর জামান জোয়ার্দার ওরফে লিটন, মো. এ মোনাফ, আকিদুল ইসলাম, খলিলুর রহমান, কৌতুক কুমার সরকার, মো. সালাউদ্দিন, সোহরাব হোসেন, কামাল হোসেন, মো. ইশহাক, দারুল ইসলাম, শ্রী সুমন চক্রবর্তী, আবু সাঈদ, সেজান মাহমুদ, মো. সেলিম, বিধান কুমার সাহা, মাসুম হাসান, ফিরোজ মিয়া, শ্রী তাপস কুমার বিশ্বাস, কামাল মিয়া, নূর-এ-আলম মিয়া, এনামুল হক, শফিকুল ইসলাম, রবিউল আলম এবং আল আমিন।
এর আগে, ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি একই আদালত ১৭৮ জন বিডিআর সদস্যকে জামিন দেন, যাদের অধিকাংশ পরে কাশিমপুর ও কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পান।
২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি আলাদা মামলা হয়।
২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর হত্যার মামলার রায় দেন বিচারিক আদালত, যেখানে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৭৮ জন। হাইকোর্টে ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৮৫ জনের যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা বহাল রাখা হয়; খালাস পান ২৮৩ জন।
সব মিলিয়ে ৫৪ জন আসামি মামলার বিভিন্ন পর্যায়ে মারা গেছেন। হত্যার মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি এবং রাষ্ট্রপক্ষ আরও ৮৩ জনের খালাস ও সাজা কমানোর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে। এসব আবেদন এখন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে বিদ্রোহের ঘটনার নতুন করে তদন্তের দাবিতে শহীদ পরিবারের সদস্যরা ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেন। পরে সরকার ২৪ ডিসেম্বর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে ৯০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আকিজ গ্রুপে চাকরি, আবেদন ৯ অক্টোবর পর্যন্ত
- ঢাবির শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী মুরাদের আকস্মিক মৃ/ত্যু
- একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার, দেখুন তালিকা
- প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র
- ৩৯ পদে ১০০ জনকে নিয়োগ দেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ সেপ্টেম্বর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৯ সেপ্টেম্বর)
- ৪৩ পদে নিয়োগ দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, আবেদন অনলাইনে
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ সালমান মুক্তাদিরের
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
- এইচএসসি উত্তীর্ণদের বৃত্তি দেবে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক, জানুন বিস্তারিত
- তিন পদে ৩৫ জনকে নিয়োগ দেবে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়
- ওয়ালটনে টেরিটরি সেলস ম্যানেজার পদে নিয়োগ
- মাসে ৩৫শ রিঙ্গিত বৃত্তিতে মালায়ায় পিএইচডির সুযোগ
- একাদশে দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে