ঢাকা, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
১২ শতাধিক প্রার্থী নিয়োগপত্রবঞ্চিত, ঢাবিতে আন্দোলনে নামছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৪ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশনে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১২ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে জানিয়েছে ‘চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫’। সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত আন্দোলনকারীদের গত ৮ মাসের প্ল্যাটফর্ম এটি।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) প্ল্যাটফর্মটির একজন মুখপাত্র গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের কাছে ৫টি দাবিও তুলে ধরা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই বা ভেরিফিকেশনের কথা বলে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই অসংখ্য যোগ্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১২০০ জনের নিয়োগপত্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইস্যু করা হয়নি। কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।
অন্যদিকে, সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীরা আগামী সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন। ওই দিন সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে তাঁরা জড়ো হবেন বলে জানিয়েছেন সুপারিশবঞ্চিতদের একজন মো. লোকমান। ঢাকা কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মো. লোকমান বলেন, এখনো কিছু জেলার তথ্য পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫০০ জন প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি। সব জেলার তথ্য পাওয়া গেলে এই সংখ্যা আড়াই থেকে তিন হাজার হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। তিনি বলেন, আগামী সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে তাঁরা জড়ো হবেন। এরপর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের এই প্ল্যাটফর্ম বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের কাছে ৫টি দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
তাৎক্ষণিক পুনর্বিবেচনা: ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রত্যেক প্রার্থীর নথি অবিলম্বে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও পুনঃযাচাইযোগ্য প্রক্রিয়ায় পুনরায় যাচাই করতে হবে।
আপিল ও শুনানির অধিকার: তথ্যগত ভুল বা অসংগতির শিকার প্রার্থীদের নিজেদের নির্দোষিতা প্রমাণের জন্য আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে এবং প্রশাসনিক আপিলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রশাসনিক ভুল সংশোধন: কোনো দপ্তর বা কর্মকর্তার গাফিলতি, ভুল তথ্য কিংবা প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে কোনো প্রার্থী বাদ পড়ে থাকলে তা অবিলম্বে সংশোধন করে তাঁর নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
আটকে থাকা নিয়োগপত্র অবিলম্বে প্রদান: চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত অথচ এখনো নিয়োগপত্র পাননি—এমন সব প্রার্থীর বিষয়ে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে হবে। কোনো অযৌক্তিক কারণে এ প্রক্রিয়া আর বিলম্বিত করা যাবে না।
দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণ: পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো এবং কোন প্রক্রিয়ায় এতসংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বাদ পড়লেন, তার সুস্পষ্ট ও দায়িত্বশীল ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচ কখন, কোথায় দেখবেন সরাসরি
- বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচ: Live দেখুন এখানে
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- শতবর্ষী ৮০৮ স্কুল-কলেজের তালিকা করল মাউশি
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- আত্মহ/ত্যার আগে যা লিখেছিলেন এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী
- নতুন পে স্কেলের বাইরে থাকছেন যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী
- আবারও লংমার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের
- ছেলে হ/ত্যার নেপথ্যে দুটি কারণ দেখছেন অপ্রতিমের মা