×

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

‘সরকারের অঙ্গীকার ক্রীড়া চর্চা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া’

২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৭ ২০:৪৩:১১

‘সরকারের অঙ্গীকার ক্রীড়া চর্চা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া’

নিজস্ব প্রতিবেদক: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠগুলোকে কোনো একটি নির্দিষ্ট খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় হস্তান্তর করা হলে সেগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ, যা আবাহনী মাঠ নামে পরিচিত, এবং ধানমন্ডি মাঠের রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে মাঠগুলোর ব্যবস্থাপনা নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন গণপূর্ত মন্ত্রী।

সমঝোতা স্মারকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নেই। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল প্রতিটি পাড়া ও মহল্লায় খেলার সুযোগ তৈরি করা এবং ক্রীড়া চর্চা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া। রাজধানীর খেলার মাঠগুলোতে সর্বস্তরের মানুষের খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করারও আশ্বাস দেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, বিগত ১৭ বছরে ক্লাবগুলোর রাজনৈতিকীকরণ দূর করে নিরপেক্ষ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো তৈরি এবং মাঠগুলো সাধারণ মানুষ ও তরুণদের জন্য উন্মুক্ত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি জানান, ধানমন্ডি মাঠে আর্চারি ও শুটিংয়ের পরিকাঠামো এবং আবাহনী মাঠের খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা সংস্কার করে তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পিপিপি মডেলে এ উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ার পর ঢাকার অন্যান্য গণপূর্ত মাঠও পর্যায়ক্রমে একইভাবে আধুনিকায়ন করা হবে।

তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রকৃত প্রতিভা অন্বেষণের জন্য দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে ১০টি ইভেন্টে দল গঠন করা হচ্ছে বলেও জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দ্বিতীয় আসরে ইতোমধ্যে ১৫ লাখের বেশি অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছর মাঠ দুটি সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এরপর উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে চুক্তির মেয়াদ নবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ হাসানসহ আরও অনেকে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

ফের বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়ল

ফের বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়ল

ডুয়া ডেস্ক: আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদহার বাড়ানোর পর বিনিয়োগকারীরা এর প্রভাব পর্যালোচনা করছেন। একই... বিস্তারিত