ঢাকা, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

প্যারোলে মুক্তির ক্ষেত্রে আইন যা বলে

২০২৬ আগস্ট ১৯ ১৫:৫৫:১৭

প্যারোলে মুক্তির ক্ষেত্রে আইন যা বলে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কোনো আসামি বা দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে সব সময় ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। ২০১৬ সালের প্যারোল নীতিমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

বাংলাদেশের ২০১৬ সালের প্যারোল নীতিমালা অনুযায়ী, প্যারোলে সাময়িক মুক্তির অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা নির্ধারিত প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের ওপর রয়েছে। এ ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা প্রশাসকের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার সিদ্ধান্ত দিতে পারে।

নীতিমালায় নিকট আত্মীয়ের মৃত্যু হলে কোনো বন্দিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কোনো আসামি বা দণ্ডিত ব্যক্তি যদি সাধারণ প্যারোলের শর্ত পূরণ করেন, তাহলে শুধু ট্রাইব্যুনালের অনুমোদনকে বাধ্যতামূলক শর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

তবে প্যারোলে মুক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বন্দির পরিস্থিতি ও মামলার ধরন অনুযায়ী প্রচলিত আইন, প্যারোল নীতিমালা এবং নির্ধারিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

প্যারোলকে স্থায়ী মুক্তি বা সাজা বাতিল হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। এটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কারাগার থেকে শর্তসাপেক্ষ সাময়িক ছুটি। সাধারণত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে কয়েক দিনের জন্যও প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হতে পারে। নির্ধারিত সময় শেষে বন্দিকে কারাগারে ফিরে আসতে হয়।

সমাপনী: অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আসামি বা দণ্ডিত ব্যক্তির প্যারোলের বিষয়টি নির্ধারিত আইন ও প্রশাসনিক বিধি মেনেই নিষ্পত্তি করা হবে; প্রতিটি ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের পৃথক অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত