ঢাকা, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
সংসদের পর রাজপথে মোদি বিরোধী আন্দোলন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সংসদে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের পর এবার রাজপথে আন্দোলন জোরদারের প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস। সংসদের ভেতরের কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা প্রভাব ফেলেছে, তা পর্যালোচনা করে পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচির রূপরেখা নির্ধারণ করতে চাইছে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব।
এ লক্ষ্যে আগামী ১৯ আগস্ট কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। সংসদ অধিবেশন চলাকালে বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারকে চাপে রাখতে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে কংগ্রেস। তবে সংসদের বাইরে এসব আন্দোলনের প্রতিফলন কতটা ঘটেছে, তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে আলোচনা শুরু হয়েছে।
কংগ্রেস নেতৃত্বের ধারণা, শুধু সংসদে সরব থাকলেই রাজনৈতিক বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক জনমত গড়ে তুলতে রাজপথেও আন্দোলন জোরদার করা প্রয়োজন।
এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ছাত্রসমাজকে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। আগামী ২২ আগস্ট মহারাষ্ট্রের পুনেতে কংগ্রেসের ছাত্রদের একটি কর্মসূচিতে যোগ দেবেন রাহুল গান্ধী। এর আগে উত্তরাখণ্ড, বিহার ও প্রয়াগরাজে একই ধরনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন তিনি। দলীয় সূত্রের মতে, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
কংগ্রেসের হিসাব, শিক্ষা, চাকরি, পরীক্ষাব্যবস্থা ও সরকারি নিয়োগের মতো বিভিন্ন বিষয়ে ছাত্র ও তরুণদের মধ্যে যে অসন্তোষ রয়েছে, সেটিকে রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে রাজপথে তার প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে ছাত্র ও তরুণদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এর পাশাপাশি উত্তর ভারতের হিন্দি বলয়ে অযোধ্যার রামমন্দিরে ভক্তদের দেওয়া প্রণামির অর্থ নিয়ে ওঠা চুরির অভিযোগকেও রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে সামনে আনতে চাইছে কংগ্রেস। উত্তরপ্রদেশে আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন হওয়ায় অযোধ্যাকেন্দ্রিক যেকোনো ইস্যুকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টি।
রামমন্দিরের প্রণামির অর্থ নিয়ে ওঠা অভিযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও। উত্তরপ্রদেশে বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টির রাজনৈতিক সমঝোতা বজায় থাকার সম্ভাবনাই এখন বেশি। ফলে অযোধ্যার অভিযোগকে সামনে রেখে দুই দলই নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি জোরদার করতে চাইছে।
কংগ্রেসের পরিকল্পনা শুধু উত্তরপ্রদেশে সীমাবদ্ধ রাখার নয়। হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ডসহ হিন্দি বলয়ের বিভিন্ন রাজ্যেও এ ইস্যুতে কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় অভিযোগ ও জনস্বার্থের বিষয়গুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর রাজনৈতিক আন্দোলনকে যুক্ত করাই দলের লক্ষ্য।
তবে সামনে উৎসবের মরশুম থাকায় কর্মসূচির সময়, স্থান ও ধরন নিয়ে কংগ্রেসের অভ্যন্তরে আলোচনা চলছে। আগামী ১৯ আগস্টের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। এখন সংসদের ভেতরের প্রতিবাদকে রাজপথের জনআন্দোলনে কতটা রূপ দিতে পারে কংগ্রেস, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ৬৪ জেলায় পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন ১৩ অক্টোবর
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৫ অক্টোবর)
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ পদে নিয়োগ, আবেদনের শেষ সময় ৬ অক্টোবর
- ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ
- মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ, বাংলাদেশে দেখবেন যেভাবে
- আজকের নামাজের সময়সূচি (২ অক্টোবর)
- এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেল নিয়ে যা জানা গেল
- ব্রাজিল বনাম ভারত: সরাসরি দেখুন এখানে
- যে কারণে স্থগিত বাংলাদেশ-পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স ম্যাচ
- শিশুশ্রম বন্ধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
- ‘রইদ’-এর ঝুলিতে তিন পুরস্কার, সেরা অভিনেত্রী নাজিফা তুষি
- চাঁদাবাজি-দখলদারি দেখার জন্য কি মানুষ জীবন দিয়েছিল: জুবায়ের
- ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল
- এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে সুখবর দিলেন সেলিম ভূঁইয়া
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২ অক্টোবর)