ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

২০২৬ জুলাই ৩০ ১১:০১:২৯

হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক: হবিগঞ্জ পৌর এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পূর্বে জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জিএম সরফরাজ এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেন।

জেলা প্রশাসনের আদেশে বলা হয়, ২৯ জুলাই সম্ভাব্য আইন-শৃঙ্খলা অবনতি, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বশেষ প্রতিবেদনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক উল্লেখ করায় এবং জননিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি না থাকায় সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবারের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে এনসিপি, যুবদল ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির ঘোষণার পর বুধবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে হবিগঞ্জ শহরে। সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে সকাল ১০টার পর পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে জেলা প্রশাসন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি তিন প্লাটুন বিজিবিও দায়িত্ব পালন করে।

বুধবার বিকেলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হবিগঞ্জে প্রবেশের চেষ্টা করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা। গাড়িবহরে ছিলেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারওয়ার তুষার এবং জাতীয় নারী শক্তির সদস্য সচিব মাহমুদা মিতুসহ অন্য নেতারা।

তবে বাহুবল উপজেলার পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রশীদপুর এলাকায় পৌঁছালে তাদের গাড়িবহরের গতিরোধ করে পুলিশ। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে প্রায় দুই ঘণ্টা আলোচনা ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির পর এনসিপি তাদের ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

এরপর মঙ্গলবারের হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের উদ্দেশ্যে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলকে হবিগঞ্জ সদর থানায় যাওয়ার অনুমতি চায় এনসিপি। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে পুলিশ সে অনুমতি না দিলেও উভয় পক্ষের সমঝোতায় কামাইছড়া পুলিশ ক্যাম্পে অভিযোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

সন্ধ্যায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল কামাইছড়া পুলিশ ক্যাম্পে গিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়। অভিযোগে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ জানান, অভিযোগটি হাতে লেখা হওয়ায় সেটি গ্রহণ করে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য হবিগঞ্জ সদর থানায় পাঠানো হবে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমজে/

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

জাতীয় এর অন্যান্য সংবাদ

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৯ জুলাই)

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৯ জুলাই)

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি... বিস্তারিত