ঢাকা, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
সবজিতে স্বস্তি থাকলেও চাল-চিনি-আটা-দুধের দামে চাপে ক্রেতারা
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও ধানমন্ডির শুক্রাবাদ বাজারে কিছু সবজির দাম কমলেও চাল, চিনি, আটা, ডিম ও দুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। মৌসুম ও আবহাওয়ার কারণে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও আটা, চিনি ও তরল দুধের বাড়তি দামে চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দুই বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢেঁড়স, পটোল ও কাঁকরোলসহ বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। শসা মিলছে ৪০ টাকা এবং পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে। গোল বেগুনের দাম ১২০ টাকা, গাজর ৭০, টমেটো ১২০ এবং কচু ৬০ টাকা কেজি। কাঁচামরিচ বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে। আলু ৩০ ও পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজিতে অপরিবর্তিত রয়েছে। লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকা হলেও গোল লাউ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। এ ছাড়া কাঁচা কলা প্রতি হালি ৩০ টাকা এবং কচুর লতি প্রতি আঁটি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজির তুলনায় নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের বাজারে বাড়তির চাপ অনেক বেশি। বর্তমানে চিনি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১২৫ টাকায়, যা দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১১৫ টাকা। এক মাস আগে ৫৫ টাকা কেজির আটা এখন বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়। সাধারণ চালের দামে বড় কোনো পরিবর্তন না থাকলেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পোলাওর চাল। খোলা পোলাওর চাল ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং প্যাকেটজাত পোলাওর চাল বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি দরে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের তরল দুধ প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, যা কিছুদিন আগেও ছিল ১০০ টাকা।
শুক্রাবাদ বাজারে বাজার করতে আসা সাজ্জাদ বলেন, ‘মাসের শুরুতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তি। এক সপ্তাহের বাজারের যে তালিকা নিয়ে এসেছি, তার অনেক কিছুই কম পরিমাণে নিতে হচ্ছে।’
মাছের বাজারেও রয়েছে দামের চাপ। তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতল ৩৮০ থেকে ৪২০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ এবং চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে। এ ছাড়া দেশি কৈ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কৈ ৩০০, পোয়া ২৬০ এবং শোল মাছ পাওয়া যাচ্ছে ৭০০ টাকা কেজি দরে।
কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা সেলিম মিয়া বলেন, ‘আমরা যে দামে কিনি, তার চেয়ে একটু বেশি দামে বিক্রি করি। আমাদেরও তো কিছু টাকা লাভ করতে হবে।’
বাজার সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, মৌসুম ও আবহাওয়ার কারণে সবজির দামে ওঠানামা স্বাভাবিক হলেও আটা, চিনি ও দুধের মতো নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির পেছনে শুধু সরবরাহ সংকট দায়ী নয়; বরং পাইকারি পর্যায়ের অনিয়ম, অসাধু দালালি ও তদারকির ঘাটতিও এর জন্য দায়ী। তাদের মতে, খুচরা পর্যায়ে অভিযান সীমাবদ্ধ না রেখে আমদানিকারক ও মিল মালিকদের উৎপাদন ও বিক্রয়মূল্য নিয়মিত নজরদারির আওতায় আনা এবং টিসিবির মাধ্যমে নিত্যপণ্যের সরবরাহ বাড়ানো গেলে ভোক্তাদের ওপর চাপ কিছুটা কমতে পারে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ অক্টোবর)
- বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা
- আজকের নামাজের সময়সূচি (২৬ অক্টোবর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩১ অক্টোবর)
- আনসার-ভিডিপিতে ২২৮ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ অক্টোবর)
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৫ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন করবেন যেভাবে, জানুন বিস্তারিত
- ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুকদের সুখবর দিল সরকার
- নভেম্বরের শুরুতে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
- জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
- সেনাবাহিনীতে সফটওয়্যার প্রোগ্রামার পদে নিয়োগ, বেতন ৫০ হাজার টাকা
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)