ঢাকা, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
পল্লি উন্নয়ন ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গ্রামীণ জনপদকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জাতীয় অগ্রগতির শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে হলে পল্লি অঞ্চলের উন্নয়নের বিকল্প নেই। এ কারণে গ্রামকে কেন্দ্র করেই সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
রোববার (৫ জুলাই) জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উন্নয়নের মূলধারায় দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্পৃক্ত করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, উন্নত পল্লি ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উদ্যাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।
তিনি আরও বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লি, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের উন্নয়ন দর্শন, জনগণের প্রত্যাশা এবং ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের প্রাণকেন্দ্র পল্লি অঞ্চল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে। কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কুটিরশিল্প এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। তাই পল্লি উন্নয়ন কোনো একক খাতের কর্মসূচি নয়; বরং একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
তিনি দাবি করেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল ও স্থায়ী করা সম্ভব।
বাণীতে তারেক রহমান বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৯৭৭ সালে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে জাতীয় উন্নয়নের একটি সুদূরপ্রসারী রূপরেখা প্রণয়ন করেন। এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য ছিল কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, যুবসমাজকে সুসংগঠিত করা, প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় পল্লিকেন্দ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, স্থানীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ অক্টোবর)
- বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩১ অক্টোবর)
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৫ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- আনসার-ভিডিপিতে ২২৮ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ অক্টোবর)
- মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুকদের সুখবর দিল সরকার
- ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- নভেম্বরের শুরুতে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
- ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন করবেন যেভাবে, জানুন বিস্তারিত
- ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত এমপির ছেলেকে যুবদল থেকে বহিষ্কার
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)
- এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল কবে, জানাল বোর্ড
- সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় এনজিওতে চাকরির সু্যোগ, বেতন ২৫-৬০ হাজার