ঢাকা, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
দেশে ফিরতে শেখ হাসিনার আইনি বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর
নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে কোনো আইনি বাধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার উচিত দেশে ফিরে নিজের বিরুদ্ধে হওয়া দণ্ড এবং বিচারাধীন মামলাগুলোর আইনি মোকাবিলা করা।
রোববার (৫ জুলাই) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শেখ হাসিনা আপিল করতে পারবেন কি না-এমন প্রশ্নের উত্তরে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির দায়ে শেখ হাসিনার সাজা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে নয়। সাধারণত রায় ঘোষণার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে। এরই মধ্যে সেই সময়সীমা অতিক্রম হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করলে তা আর করা সম্ভব নয়। তবে তিনি বলেন, “আমরা চাই শেখ হাসিনা দেশে এসে নিজের বিরুদ্ধে হওয়া দণ্ড চ্যালেঞ্জ করুন। তিনি আপিল দাখিল করুন। কারণ তার দেশে আসতে কোনো আইনগত বাধা নেই।”
আপিলের সময়সীমা পেরিয়ে গেলে কীভাবে আপিল করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আপিল বিভাগের এখতিয়ার। “আগে তাকে আসতে দিন। তিনি আসুন। আমরাও চাই তিনি আপিল করুন। এরপর আইনি প্রক্রিয়ায় কী হবে, তা তখনই নির্ধারিত হবে। এখন এ বিষয়ে আগাম মন্তব্য করার সুযোগ নেই।”
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও বহু মামলা বিচারাধীন রয়েছে। কয়েকটি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অপেক্ষা চলছে। বিশেষ করে শাপলা চত্বর মামলাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের আরও বেশ কয়েকটি মামলায় তিনি বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন। এরই মধ্যে একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। তাই বাংলাদেশে এসে এসব বিচার প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শাপলা চত্বর মামলায় জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুকেও আসামি করা হবে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, তদন্তের শুরু থেকেই এ ঘটনায় ইনুর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। সে সময় তিনি তথ্যমন্ত্রী ছিলেন। তার নির্দেশনায় ২০১৩ সালের ৫ মে-পরবর্তী সময়ে দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধের পাশাপাশি তাদের কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি নিজেই এসব পদক্ষেপের দায় স্বীকার করে বলেছেন যে, তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছিলেন। এসব তথ্যপ্রমাণ তদন্তে উঠে এসেছে। যেহেতু ঘটনাটি বড়, তাই সব তথ্য সুসংগঠিত করতে সময় লাগছে। তিনি বলেন, “হাসানুল হক ইনু আসামি হবেন-এ কথা আমরা আগেই বলে আসছি।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহারের বিষয়ে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন তদন্তে দেশে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। যাদের বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে, প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া যাত্রাবাড়ীর একটি মামলার তদন্তে দেখা গেছে, পুলিশ সদস্যদের নামে অস্ত্র বরাদ্দ দেখানো হলেও বাস্তবে সেগুলো আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের হাতে দেওয়া হতো। তারা পুলিশের পাশাপাশি এসব অস্ত্র ব্যবহার করতেন।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৩ আগস্ট)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ আগস্ট) r
- BANZI নির্বাচন: জয়-পরাজয়ের বাইরে কমিউনিটির আমানত ও প্রত্যাশা
- ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিসিইউতে স্থানান্তরের রোডম্যাপ প্রকাশ
- ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি ডার্ক ওয়েবে বিক্রির দাবি
- স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন, প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমান
- রোববার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ
- তেজগাঁও কলেজে মঞ্চে উঠছে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’
- বাংলাদেশ স্কাউটসে নবম গ্রেডে চাকরির সুযোগ
- ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার তারিখ জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- বোর্ড সচিব বাবা, টেনেটুনে পাস করা ছেলের ফল জিপিএ-৫
- টাকার বিনিময়ে ১২০০ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন
- বাসায় ঢুকে মডেলকে কুপিয়ে হ'ত্যা