ঢাকা, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া রিভিউ হচ্ছে না: ববি হাজ্জাজ
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক শিক্ষা খাতে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে চলমান জটিলতার মধ্যে অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি জানিয়েছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনো সম্পূর্ণ শেষ হয়নি এবং এটি দ্রুত সম্পন্ন করা জরুরি, কারণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট রয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় একান্ত আলাপে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া রিভিউ করা হতে পারে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এজছানুল হক মিলন। গত ২০ এপ্রিল সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে তিনি এ তথ্য দেন। তবে পরবর্তীতে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একটি সভায় নিয়োগ প্রক্রিয়া রিভিউ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়।
সভা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত ওই সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী, সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়া আগের মতোই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। অর্থাৎ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ ফাঁকা রয়েছে। দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। যদিও পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রুটি হয়নি এমন দাবি তিনি করেননি, তবে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রক্রিয়ার ওপর ন্যূনতম আস্থা রাখা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন।
জানা গেছে, গত ৫ নভেম্বর প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপ এবং ১২ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। প্রথম ধাপে ৮ থেকে ২১ নভেম্বর এবং দ্বিতীয় ধাপে ১৪ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়।
পরবর্তীতে ২ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) এক হাজার ৪০৮টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়ে এবং ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।
লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ২১ জানুয়ারি রাতে প্রকাশ করা হয়, যেখানে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। এরপর ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আড়াই মাস পার হলেও এখনো নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদানপত্র দেওয়া হয়নি।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জেনে নিন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩১ অক্টোবর)
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৫ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুকদের সুখবর দিল সরকার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ অক্টোবর)
- নভেম্বরের শুরুতে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
- ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল কবে, জানাল বোর্ড
- সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় এনজিওতে চাকরির সু্যোগ, বেতন ২৫-৬০ হাজার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০১ নভেম্বর)
- ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত এমপির ছেলেকে যুবদল থেকে বহিষ্কার
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০৩ নভেম্বর)
- আজকের নামাজের সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)
- অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন শিবা শানু