ঢাকা, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য থাইল্যান্ড সরকারের বড় স্কলারশিপ
নিজস্ব প্রতিবেদক: এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা শিক্ষার্থীদের জন্য দারুণ খবর এসেছে থাইল্যান্ড থেকে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ অর্থায়নে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ দিচ্ছে থাইল্যান্ড সরকার। ‘থাইল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ’ কর্মসূচির আবেদন প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে, যেখানে বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষকে সামনে রেখে এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামে থাইল্যান্ডের ২৪টি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নিচ্ছে। এর আওতায় শিক্ষার্থীরা ফুলটাইম মাস্টার্স ডিগ্রিতে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন। প্রায় সব বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ থাকছে এবং মেধাবী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ১০৭টি বৃত্তি প্রদান করা হবে।
এই স্কলারশিপের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধা। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিজ দেশ থেকে থাইল্যান্ডে যাতায়াতের জন্য রিটার্ন ইকোনমি ক্লাস বিমান টিকিট ও বিমানবন্দর থেকে আবাসনে পৌঁছানোর ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি মাসিক ৭ হাজার থাই বাত জীবনযাপন ভাতা দেওয়া হবে।
এ ছাড়া আবাসনের জন্য প্রতি মাসে ৭ থেকে ৯ হাজার থাই বাত বরাদ্দ থাকবে। থাইল্যান্ডে প্রথমবার আগমনের সময় এককালীন ৬ হাজার বাত সেটেলমেন্ট ভাতা এবং পড়াশোনার উপকরণ কেনার জন্য বছরে ১০ হাজার বাত বই ভাতা প্রদান করা হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পুরো কোর্সের টিউশন ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে।
এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীদের কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে এবং নিজ দেশের ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন কর্তৃক মনোনীত হতে হবে। পাশাপাশি ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে। বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৫০ বছর।
স্কলারশিপপ্রাপ্তদের জন্য কিছু বাধ্যতামূলক শর্তও রয়েছে। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশোনা করতে হবে। অনুমোদিত প্রোগ্রাম বা স্টাডি প্ল্যান পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে না। অধ্যয়নকালীন কোনো ধরনের খণ্ডকালীন চাকরি করা যাবে না এবং পরিবারের কোনো সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে থাইল্যান্ডে অবস্থান করার অনুমতি থাকবে না।
আবেদনের সময় প্রার্থীদের যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে তার মধ্যে রয়েছে—নির্ধারিত আবেদন ফরম, মেডিকেল রিপোর্ট, স্নাতক ডিগ্রির সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট, ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ (যেমন আইইএলটিএস বা টোয়েফল), কমপক্ষে তিনটি সুপারিশপত্র এবং একটি থিসিস প্রপোজাল। সব নথি সঠিক ও স্পষ্টভাবে প্রস্তুত করতে হবে।
এই স্কলারশিপের আওতায় পড়াশোনার ক্ষেত্রও বেশ বৈচিত্র্যময়। জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, টেকসই উন্নয়ন, বায়ো-সার্কুলার-গ্রিন অর্থনীতি এবং সাফল্যধর্মী অর্থনীতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মাস্টার্স প্রোগ্রাম রয়েছে।
মাস্টার্স ডিগ্রি প্রোগ্রামের মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে। তবে কিছু কোর্স ১৫ মাস বা এক বছরের জন্যও পরিচালিত হয়। অর্থাৎ নির্বাচিত প্রোগ্রাম অনুযায়ী স্কলারশিপের সময়কাল ভিন্ন হতে পারে।
আগ্রহী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত অনলাইন লিংকের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- কী আছে এপস্টেইন ফাইলে? কেন এত হইচই বিশ্বজুড়ে?
- শব-ই-বরাতের গুরুত্ব ও আমল
- শুরু হচ্ছে ‘অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ’, স্কোয়াড ও সূচি ঘোষণা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ
- আজকের নামাজের সময়সূচি (৩ ফেব্রুয়ারি)
- ঢাবির ১৯ শিক্ষার্থী পেলেন ‘টিএফপি ক্রিয়েটিভ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’
- আজকের নামাজের সময়সূচি (৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)
- দেশের প্রথম বিটিসিএল এমভিএনও সিম চালু
- ১০০ টাকা প্রাইজ বন্ডের ১২২তম ড্র অনুষ্ঠিত, জেনে নিন বিজয়ী নম্বরগুলো
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: জেনে নিন সরাসরি দেখার উপায়
- জুলাই শহীদের বোনের দেওয়া উপহারে অশ্রুসিক্ত মির্জা ফখরুল
- কে এই কু'খ্যাত জেফ্রি এপস্টেইন?
- এভারকেয়ারে বিশেষ ছাড়ে চিকিৎসা পাবেন ঢাবি অ্যালামনাই সদস্যরা
- ঢাবির 'বি' ইউনিটের পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, পরিবর্তন ৮ জনের
- গ্রামীণফোনের ২১৫ শতাংশ ফাইনাল ডিভিডেন্ড ঘোষণা