ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগ করা হবে।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ সরকারি বাসভবনে শিক্ষা বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে শিক্ষকরা ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পান। এটি বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করার একটি প্রস্তাব আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। অনুমোদন মিললে দ্রুতই তা ঘোষণা করা হবে। তবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো আগামী এক বা দুই বছরের মধ্যে একে শতভাগে উন্নীত করা।” তিনি আরও জানান, মন্ত্রণালয়ের ভেতরের আলোচনা অসময়ে বাইরে চলে আসায় তিনি কিছুটা বিব্রত, তবে শিক্ষকদের কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
শিক্ষার মানোন্নয়নে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে মিলন বলেন, দেশের সব শিক্ষার্থীর জন্য একই মানদণ্ড নিশ্চিত করতে আগামী বছর থেকে সারাদেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। বিশ্বজুড়ে বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা যেভাবে অভিন্ন প্রশ্নে হয়, বাংলাদেশেও সেই স্ট্যান্ডার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “অতীতে আমরা প্রশ্ন ফাঁস রোধে সফল হয়েছি, এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। যারা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশ্ন ফাঁসের অপচেষ্টা করবে, তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। আমি নিজে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা তদারকি করব।”
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ইউএনও, ডিসি এবং শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে তিন স্তরের একটি ‘স্ক্রিনিং প্রসেস’ রাখা হবে। এছাড়া নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা নিয়ে চলমান বিতর্কের জবাবে তিনি বলেন, বিগত ১৫-১৭ বছরে যারা রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের সুযোগ দিতেই এই যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়কে নিজের ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, “আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে আমি এমন এক শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে চাই, যার প্রভাব আগামী ১৮০ বছর পর্যন্ত থাকবে।” তিনি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের গতানুগতিক মানসিকতা ত্যাগ করে দ্রুত ও দক্ষতার সাথে জনস্বার্থে কাজ করার নির্দেশ দেন। এছাড়া ২০২৭ সালের নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনকে নিজের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করেন তিনি।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)
- নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশের ভিসা প্রত্যাখ্যান, বাড়ছে উদ্বেগ
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু আজ
- ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
- বাংলাদেশকে ৩০৫ রানের লক্ষ্য দিল আফগানিস্তান, জবাবে ১৬৯ রান
- বিআইডব্লিউটিসি ও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
- সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর
- এসএসসি-এইচএসসিতে ফেল করলে ফের পরীক্ষা, এরপর কারিগরি শিক্ষা
- সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- শনিবার ঢাকায় বন্ধ যেসব মার্কেট ও দোকানপাট
- খুলনায় ৩০ কেজি ধানে তৈরি দুর্গাপ্রতিমা দেখতে ভিড়
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৩ অক্টোবর)
- হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে ভাসছে আইফোন