ঢাকা, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃত্তি পরীক্ষায় সুযোগ পেলেও অংশ নেয়নি হাজারো শিক্ষার্থী
নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ এক যুগের বিরতির পর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আবার চালু হওয়া জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ঘিরে শুরু থেকেই ছিল ব্যাপক আগ্রহ। তবে পরীক্ষা শেষে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রাথমিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেও একটি বড় অংশ পুরো পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল কিংবা সব বিষয়ে অংশ নেয়নি।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এ বোর্ডটির অধীনে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৭ হাজার ৯৪৯ জন। এর মধ্যে ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী কোনো না কোনোভাবে পরীক্ষার বাইরে থেকে গেছে।
বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার সোমবার (১৯ জানুয়ারি) গণমাধ্যমকে জানান, নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৮০ হাজার ২১৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। যা মোট পরীক্ষার্থীর ৯১ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থাৎ, ৭ হাজার ৭৩১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি, যার হার ৮ দশমিক ৮ শতাংশ।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, যারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে তাদের মধ্যেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী সব বিষয়ে পরীক্ষা দেয়নি। বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সব বিষয়ে অংশ নিয়েছে ৭৭ হাজার ৯১৯ জন শিক্ষার্থী। যা মোট পরীক্ষার্থীর ৮৮ দশমিক ৬ শতাংশ। ফলে পরীক্ষায় অংশ নিলেও এক বা একাধিক বিষয়ে অনুপস্থিত ছিল এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩০ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ১১ দশমিক ৪ শতাংশ।
এ বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, আপাতত ঢাকা বোর্ডের তথ্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের পূর্ণাঙ্গ অংশগ্রহণসংক্রান্ত তথ্য এখনও সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সব বোর্ডের তথ্য একত্র হলে সামগ্রিক চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।
কোন বোর্ডে কত শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে?
শিক্ষা বোর্ডগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বোর্ডের পর সর্বোচ্চসংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৩ হাজার ৬৬০ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ।
কুমিল্লা ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় কাছাকাছি। কুমিল্লা বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে ৪০ হাজার ২১৯ জন শিক্ষার্থী (১১ দশমিক ৬০ শতাংশ) এবং দিনাজপুর বোর্ডে ৪০ হাজার ২৩১ জন শিক্ষার্থী (১১ দশমিক ৬১ শতাংশ)। এই দুই বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ২৩ শতাংশের বেশি।
যশোর শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৮ হাজার ৬৬ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ১১ দশমিক ১৬ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে অংশ নিয়েছে ২৯ হাজার ৫ জন শিক্ষার্থী, যা প্রায় ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
নতুন ও অপেক্ষাকৃত ছোট বোর্ডগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ ও সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কাছাকাছি ছিল। ময়মনসিংহ বোর্ডে পরীক্ষার সুযোগ পেয়েছে ২৩ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থী (৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ) এবং সিলেট বোর্ডে ২৩ হাজার ২২ জন শিক্ষার্থী (৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ)। এই দুই বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর ১৩ শতাংশেরও বেশি।
সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী ছিল বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ২০ হাজার ৬২৯ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা
- চলতি মাসে টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ জন নিয়োগ, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- ছবিতে সাফল্য আর বাস্তবে সংগ্রাম, প্রবাস জীবনের অদেখা গল্প
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা বিষয়ক `NAT-Test`সেবা চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
- একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে দেখবেন
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- মব হেনস্তার প্রতিবাদে ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসিনের
- নটর ডেম কলেজের একাদশের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- যে কারণে বিলম্ব হচ্ছে পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- একাদশে ভর্তি আবেদনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে কখন
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন ১২ অক্টোবর পর্যন্ত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৫ সেপ্টেম্বর)
- আরও ৯০ দিন মেয়াদ বাড়ল ডাকসুর