ঢাকা, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে প্রার্থীদের বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতি ও অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর মিরপুরে প্রার্থীরা বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন। তারা দাবি করেছেন, পরীক্ষা বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রার্থীরা দুপুর ১২টা পর্যন্ত অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেখানে পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
বিক্ষোভকারীদের হাতে দেখা যায় ‘প্রশ্নফাঁস চলবে না, চলবে না’, ‘প্রশ্নফাঁস হটাও, শিক্ষা বাঁচাও’, ‘মেধাবীরা বঞ্চিত কেন, ডিপিই জবাব চাই’, ‘পরিশ্রমের মর্যাদা নেই’ এই ধরনের প্ল্যাকার্ড।
আন্দোলনকারীরা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত নতুন পরীক্ষা নেওয়া।
সব চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নেওয়া এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার বসানো।
স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে তাদের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা নেওয়া এবং একই দিনে একাধিক পরীক্ষা না নেওয়া।
অতীতে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ থাকা প্রতিষ্ঠানের প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব না দেওয়া।
প্রশ্নফাঁস প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা এবং প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা।
এর আগে, ৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ পর্যন্ত দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বাদে) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। পরীক্ষা চলার কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, পরীক্ষার দুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো প্রশ্নের কিছু অংশ হুবহু পরীক্ষায় এসেছে। এছাড়া, ২৫ ডিসেম্বর জেলা পর্যায়ে প্রশ্নপত্র পাঠানো হলে এটি প্রশ্নফাঁস চক্রের হাতে চলে গেছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে ডিভাইস পার্টির কার্যক্রম সবচেয়ে বেশি ছিল।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার দুই ধাপে মোট ১৪,৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ১০,৮০,৮০৮ জনের বেশি। প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০,২১৯টি পদের জন্য ৭,৪৫,৯২৯ জন আবেদন করেন। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪,১৬৬টি পদের বিপরীতে ৩,৩৪,১৫১ জন আবেদন করেন। তবে ঠিক কতজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এবং কতজন অনুপস্থিত ছিলেন, সে তথ্য এখনো অধিদপ্তর নিশ্চিত করেনি।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- তিন ছাত্রদল নেতাকে ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ দিল সরকার
- জাবিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে কারাদণ্ড
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি আবেদনের সময়সূচি প্রকাশ
- শাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. খায়রুল ইসলাম
- রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
- দেশে কমলো সোনার দাম, ভরি কত?
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঢাবি শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন
- আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের পদযাত্রা
- সোমবার টানা ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- ঢাবিতে মাদারীপুর সদর ছাত্র কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা
- শোলাকিয়া থেকে জাতীয় ঈদগাহ কোথায় কখন ঈদের জামাত, জেনে নিন বিস্তারিত
- ৭ কোটি মানুষ চরম সংকটের মুখে রয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব সুসংবাদ শুনতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- জাল সনদে নিয়োগ: ৬৩ শিক্ষককে শোকজ মাউশির