ঢাকা, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে প্রার্থীদের বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতি ও অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর মিরপুরে প্রার্থীরা বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন। তারা দাবি করেছেন, পরীক্ষা বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রার্থীরা দুপুর ১২টা পর্যন্ত অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেখানে পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
বিক্ষোভকারীদের হাতে দেখা যায় ‘প্রশ্নফাঁস চলবে না, চলবে না’, ‘প্রশ্নফাঁস হটাও, শিক্ষা বাঁচাও’, ‘মেধাবীরা বঞ্চিত কেন, ডিপিই জবাব চাই’, ‘পরিশ্রমের মর্যাদা নেই’ এই ধরনের প্ল্যাকার্ড।
আন্দোলনকারীরা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত নতুন পরীক্ষা নেওয়া।
সব চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নেওয়া এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার বসানো।
স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে তাদের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা নেওয়া এবং একই দিনে একাধিক পরীক্ষা না নেওয়া।
অতীতে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ থাকা প্রতিষ্ঠানের প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব না দেওয়া।
প্রশ্নফাঁস প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা এবং প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা।
এর আগে, ৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ পর্যন্ত দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বাদে) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। পরীক্ষা চলার কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, পরীক্ষার দুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো প্রশ্নের কিছু অংশ হুবহু পরীক্ষায় এসেছে। এছাড়া, ২৫ ডিসেম্বর জেলা পর্যায়ে প্রশ্নপত্র পাঠানো হলে এটি প্রশ্নফাঁস চক্রের হাতে চলে গেছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে ডিভাইস পার্টির কার্যক্রম সবচেয়ে বেশি ছিল।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার দুই ধাপে মোট ১৪,৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ১০,৮০,৮০৮ জনের বেশি। প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০,২১৯টি পদের জন্য ৭,৪৫,৯২৯ জন আবেদন করেন। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪,১৬৬টি পদের বিপরীতে ৩,৩৪,১৫১ জন আবেদন করেন। তবে ঠিক কতজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এবং কতজন অনুপস্থিত ছিলেন, সে তথ্য এখনো অধিদপ্তর নিশ্চিত করেনি।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিশেষ নির্দেশনা জারি
- গুচ্ছ ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি ফল প্রকাশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৭ এপ্রিল)
- টানা ৫ দিনের বড় ছুটিতে যাচ্ছে স্কুল-কলেজ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১০ এপ্রিল)
- ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে টের পেল বাংলাদেশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৮ এপ্রিল)
- আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল
- শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সম্ভাব্য সময় জানাল মন্ত্রণালয়
- অনলাইন ক্লাস হতে পারে যেসব স্কুল-কলেজে
- সংসদে তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন
- বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের নতুন সময়সূচি প্রকাশ
- সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ
- ঢাবিতে ই-মেইল ভেরিফিকেশন প্রশিক্ষণ মঙ্গলবার
- ফের বাড়ছে স্বর্ণের দাম