ঢাকা, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ভর্তি পরীক্ষার দিনে চবিতে আওয়ামীপন্থি শিক্ষক আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক: ভর্তি পরীক্ষার ব্যস্ততার মধ্যেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সৃষ্টি হয় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত গণহত্যাকে সমর্থনের অভিযোগে আইন বিভাগের এক শিক্ষকের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের আওয়ামীপন্থি সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক সহকারী প্রক্টর হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভকে ক্যাম্পাসে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, ভর্তি পরীক্ষায় পরীক্ষার গার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে তিনি ক্যাম্পাসে এসেছিলেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন অভিযুক্ত শিক্ষক এবং ফ্যাসিস্ট শক্তির দোসর হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। এ বিষয়ে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি পৃথক তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তাধীন থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের একটি চিঠির ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্বে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ আরও বাড়ে।
ঘটনার খবর পেয়ে চাকসুর প্রতিনিধিরা তাকে আটক করতে এগিয়ে যান। এ সময় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি আইন বিভাগের সামনের পথ এড়িয়ে পেছনের একটি রাস্তা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে দৌড়ে পালাতে গিয়ে পড়ে গেলে শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে ফেলেন।
চাকসুর আইন বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি তৌহিদ অভিযোগ করে বলেন, জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত গণহত্যার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভর বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগ আমলে সহকারী প্রক্টর থাকাকালে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ‘জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে মামলা করেন। আইন অনুষদের শিক্ষার্থী জুবায়েরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক ছাত্রলীগকে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা দিতেন এবং বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ডে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গণহত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় হঠাৎ ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্ব নিয়ে ক্যাম্পাসে আসায় শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুললে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন।
অভিযোগের জবাবে আটক অবস্থায় হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভ দাবি করেন, তিনি কখনো মৌন মিছিল বা কোনো আন্দোলনে অংশ নেননি। তিনি বলেন, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে আমি মৌন মিছিলে বের হয়েছি, তাহলে আমি শাস্তি মাথা পেতে নেব।
তিনি আরও দাবি করেন, আমি একজন আইনের শিক্ষক ও সাবেক বিচারক। প্রমাণসহ দেখান—আমি জুলাই আন্দোলনে কোথাও অংশ নিয়েছি কি না। আমি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নই এবং কোনো শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ক্ষমতাও আমার ছিল না।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ২য় ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন (LIVE)
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের খেলা চলছে: ব্যাটিংয়ে টাইগাররা-দেখুন সরাসরি
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর খেলাটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন শুরু
- ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
- শীর্ষ ১০ ইহুদিবিদ্বেষী প্রভাবশালীদের তালিকা প্রকাশ করল ইসরাইল
- সময় কমিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সিদ্ধান্ত
- রেকর্ড মুনাফা করে ডিভিডেন্ডে চমক দেখাল ইস্টার্ন ব্যাংক
- কপার টি: নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি
- এক মাসেও অফিস মেলেনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের
- ঢাবির ক্ষণিকা বাস দু/র্ঘটনায় আ/হত ৮ শিক্ষার্থী
- ৮,০০০ টাকা করে বৃত্তি দেবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট
- শিরীন সুলতানা ও নিলোফার মনিকে ঢাবি অ্যালামনাই’র অভিনন্দন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৯ এপ্রিল)