ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
একই দিনে জীবন ত্যাগ করলেন কেসলার যমজ দুই বোন
বিনোদন ডেস্ক: ইউরোপের সুপরিচিত ‘কেসলার টুইনস’ খ্যাত জার্মান যমজ বোন ও সংগীতশিল্পী-নৃত্যশিল্পী অ্যালিস ও অ্যালেন কেসলার একসাথে মৃত্যুবরণ করেছেন। ৮৯ বছর বয়সে এই যমজ শিল্পী একই সঙ্গে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। জানা গেছে, তারা মিউনিখের গ্রুনওয়াল্ডে নিজেদের বাসভবনে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন। বিশেষভাবে পরিকল্পিত এই যৌথ মৃত্যুর বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে তারা প্রস্তুত ছিলেন।
জার্মানিতে ‘ডয়চ সোসাইটি ফর হিউম্যান ডাইয়িং’ নামে এমন একটি সংস্থা আছে, যা নাগরিকদের স্বেচ্ছামৃত্যুকে সম্মান জানিয়ে তাদের পথকে সহজ করে। এই সংস্থার সদস্য ছিলেন অ্যালিস ও অ্যালেন কেসলার। মৃত্যুর আগে তারা একজন আইনজীবী ও একজন ডাক্তারকে তাদের পরিকল্পনার বিষয়ে অবহিত করেছিলেন। এর আগে গত বছরও তারা ইতালির এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, একই দিনে একসঙ্গে মারা যাওয়ার তাদের গভীর ইচ্ছা রয়েছে।
অ্যালিস ও অ্যালেন ১৯৩৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০-এর দশকে তারা পরিবারসহ পূর্ব জার্মানি থেকে পশ্চিম জার্মানিতে চলে আসেন এবং সেখানে বিনোদন জগতে নাম লেখান। ১৯৫৯ সালে তারা ইউরোভিশন সংগীত প্রতিযোগিতায় জার্মানির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এই যমজ শিল্পীদের জীবন এবং তাদের যৌথ মৃত্যুর সিদ্ধান্ত মানুষের মধ্যে বিস্ময় ও কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
ডুয়া/নয়ন
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল
- ‘সিলটি’ ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি