ঢাকা, শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান : নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ প্রতিপাদ্যে ১ ফেব্রুয়ারি শুরু বইমেলা
ডুয়াে নিউজ: ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে অমর একুশে বইমেলা। মেলা উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূস।
৩০ জানুয়ারি বাংলা একাডেমির আব্দুল করীম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জনানো হয়েছে এসব তথ্য। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম এবং লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মেলা কমিটির সদস্য সচিব সরকার আমিন।
সরকার আমিন লিখিত বক্তব্যে বলেন, মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৫। তিনি ভাষাশহীদ, ভাষাসংগ্রামী, মুক্তিযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও অংশগ্রহণকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
মেলা উদ্বোধন হবে ১ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায়। বইমেলা জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়ক হবে-এমন আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এবারের বইমেলা গতবারের বিন্যাসে থাকছে তবে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। মেট্রোরেল স্টেশনের কারণে বাহিরপথ মন্দির-গেটের কাছাকাছি স্থানান্তরিত করা হয়েছে। টিএসসি, দোয়েল চত্বর, এমআরটি বেসিং প্লান্ট ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের চারটি প্রবেশ ও বাহিরপথ থাকবে। খাবারের স্টলগুলি বিশেষভাবে সুবিন্যস্ত করা হয়েছে এবং নামাজের স্থান, ওয়াশরুমসহ অন্যান্য পরিষেবা থাকবে।
শিশু চত্বরটি মন্দির-গেটের ডানদিকে বড় পরিসরে রাখা হয়েছে যাতে শিশুরা সেখানে অবাধে বিচরণ করতে পারে এবং তাদের কাঙ্ক্ষিত বই সংগ্রহ করতে পারে। বাংলা একাডেমি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের স্টলে ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি হবে। প্রতিদিন বিকেল ৪টায় সেমিনার এবং সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করবে এবং সর্বত্র ক্লোজক্যাম স্ট্রিট ক্যামেরা থাকবে। বইমেলা পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত থাকবে এবং পরিচ্ছন্নতার জন্য নিয়মিত পানি ছিটানো হবে।
বইমেলায় উপস্থাপন করা হবে নতুন ৪৩টি এবং পুনর্মুদ্রিত ৪১টি বই। বইমেলার সময়সূচি অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এটি খোলা থাকবে; ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। মহান শহীদ দিবসে ২১ ফেব্রুয়ারি মেলা সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে।
এবারের বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিভিন্ন গুণগতমান পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য: ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’ এবং ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’।
মোট ৭০৮ টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এবারের বইমেলায় অংশগ্রহণ করছে। যেখানে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১৯৯টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৬০৯টি স্টল হবে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে তিন কোম্পানি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে শাহজীবাজার পাওয়ার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এপেক্স ট্যানারি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইজেনারেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং
- ইপিএস প্রকাশ করবে ৫৮ কোম্পানি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইনটেক
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা