ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২
বিপিএল ফিক্সিং নিয়ে কঠোর অবস্থান ক্রীড়া উপদেষ্টার
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, বিপিএল ম্যাচ ফিক্সিং সংক্রান্ত তদন্ত প্রক্রিয়া এখনও চলছে। এ পর্যন্ত যাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাদের খেলায় কোনো বাধা নেই। তবে তদন্তে প্রমাণিত সব ফিক্সিং ঘটনায় জড়িত খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্টদের যথাযথ বিচারের আওতায় আনা হবে।
রোববার দুপুরে সাভারের বিকেএসপিতে যুবদের আত্মরক্ষামূলক মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি আরও বলেন, “নারী খেলোয়াড়দের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ক্রীড়াঙ্গনে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতেই সরকার কাজ করছে। জাহানারাসহ নারী খেলোয়াড়দের যৌন হেনস্তা অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপদেষ্টা জানান, যেসব খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে এখনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি, তাদেরকে অপরাধী বলা যাবে না। তবে ফিক্সিং কাণ্ডে জড়িত সব ব্যক্তি বিচারবহির্ভূত থাকতে পারবে না। একই সঙ্গে, নারীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আত্মসুরক্ষার প্রশিক্ষণের জন্য সরকার ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ বছর ৬ মাস মেয়াদী প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রকল্পের আওতায় বিকেএসপির ৭টি আঞ্চলিক শাখার মাধ্যমে ৮৮৫০ জন যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পাকিস্তান বনাম যুক্তরাষ্ট্র: কখন, কোথায় সরাসরি Live দেখবেন জানুন
- ঢাকা-৮ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ১২ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে কে?
- ঢাকা-১৭ আসনে ১৮ কেন্দ্রের ফল: এগিয়ে তারেক রহমান
- ঢাকা-৮ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ৩ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে কে?
- বিশ্বরেকর্ড জুটিতে আমিরাতকে ১০ উইকেটে উড়াল নিউজিল্যান্ড
- কুমিল্লা-৪ আসনে ৪৬ কেন্দ্রের ফল: তিনগুণেরও বেশি ভোটে এগিয়ে হাসনাত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন
- ভোটের ফল পাওয়া যাবে কখন থেকে?
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বে লিজিং
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: ৩৩ কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে রুমিন ফারহানা
- পঞ্চগড়-১ আসনে ৮ কেন্দ্রের ফল: সারজিস আলম এগিয়ে
- ঢাকা-৯ আসনে দুই কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে কে?
- টানা ৫ দিনের ছুটি পাচ্ছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
- ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৮ কেন্দ্রের ফল: এগিয়ে মির্জা ফখরুল
- ৩৬০ মিটার, মোবাইল নিষেধাজ্ঞা ও ক্ষমতার রাজনীতি: নিরাপত্তার নামে কতটা নিয়ন্ত্রণ গ্রহণযোগ্য?