ঢাকা, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শিক্ষকদের সচিবালয় পদযাত্রা পুলিশের বাধায় থমকে গেল
নিজস্ব প্রতিবেদক :নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি বেতনভুক্ত (এমপিও) তালিকাভুক্ত করার দাবিতে রাজধানীতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা পুলিশ বাধা দিয়ে আটকে দিয়েছে। সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালনের পর শিক্ষকরা পল্টন মোড় ঘুরে সচিবালয়ের দিকে যাত্রা শুরু করলে প্রেস ক্লাব সংলগ্ন সড়কে পুলিশ তাদের পথরোধ করে। এতে সেখানে শিক্ষক ও পুলিশের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তারা মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে পড়েন।
‘নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে সারা দেশ থেকে আসা শিক্ষকেরা ঢাকায় অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের দাবি, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত এমপিওভুক্ত করতে হবে এবং দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত শিক্ষকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর করতে হবে। শিক্ষকরা জানান, তারা শান্তিপূর্ণভাবে পদযাত্রা শুরু করলেও বারবার বাধা দিয়ে তাদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।
পরিষদের সাংগঠনিক সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মুনিমুল হক সাংবাদিকদের বলেন, আপাতত তারা পুলিশি বাধার মুখে সেখানেই অবস্থান করছেন। পুলিশ তাদের অবস্থান কর্মসূচিতে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানালেও কিছুক্ষণ পর তারা পূর্বঘোষিত স্থানে ফিরে গিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। তিনি আরও বলেন, সরকার যদি এমপিও নীতিমালা ও পরিপত্রের অসামঞ্জস্য বন্ধ করে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করে, তবে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবেন।
শিক্ষকদের দাবি, বহু বছর ধরে স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত না হওয়ায় হাজারো শিক্ষক-কর্মচারী বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকেই সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। অথচ দেশের প্রান্তিক এলাকায় এসব শিক্ষকই শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তারা অভিযোগ করেন, একই মানদণ্ড থাকা সত্ত্বেও একাধিক প্রতিষ্ঠান এমপিও সুবিধা পেলেও অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো তা থেকে বঞ্চিত, যা নীতিমালার বৈষম্যের প্রমাণ।
শিক্ষকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি পূরণ না হলে তারা অবস্থান কর্মসূচি আরও কঠোর করবেন এবং অনশনসহ দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন। তাদের মতে, শিক্ষকদের দাবিকে উপেক্ষা করলে শিক্ষাব্যবস্থায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। তারা আশা করেন, সরকার দ্রুত বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেবে এবং সংলাপের মাধ্যমে একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাবে, যাতে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষকদের সম্মান অক্ষুণ্ণ থাকে।
ডুয়া/নয়ন
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ সেপ্টেম্বর)
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- মেসির ১০ নম্বর জার্সি কি অবসর নিতে পারবে?
- ঢাবিতে গ্রিন নেক্সাস কর্মসূচি সমাপ্ত
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার