ঢাকা, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শিবিরের ভূমিধস বিজয় রহস্যজনক: নুর
নিজস্ব প্রতিবেদক: গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, ছাত্রদল ও শিবির নানা বাস্তবতায় এতদিন ক্যাম্পাসে যেতে পারতো না, প্রকাশ্যে পরিচয়ও দিতো না। শিবির তো একেবারে নিষিদ্ধ ছিল। তবুও সব বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের জয়জয়কার, এটা আমার কাছে রহস্যজনক।
শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পলিটিক্স ল্যাব: পাবলিক ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এই সংলাপের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) ও ফ্রেডরিখ এবার্ট স্টিফটুং (এফইএস)—যা জার্মানির সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি রাজনৈতিক ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের সভাপতি জিল্লুর রহমান।
নুর বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের একেবারে ভূমিধস বিজয় হয়েছে। সবাই জানে, স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাহলে প্রশ্ন উঠছে—উচ্চশিক্ষিত তরুণরা কেন তাদের ভোট দিল?
গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা মনে করেন, শিবিরের এই সাফল্যের পেছনে কাজ করছে তাদের ‘ওয়েলফেয়ার বেইজড পলিটিক্স’ বা কল্যাণভিত্তিক রাজনীতি। তারা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে থাকে। এমনকি কিছু হাসপাতালে তারা এমন চুক্তি করেছে, যেখানে সদস্যদের পরিবার স্বল্প খরচে চিকিৎসা সেবা নিতে পারে বলেও অনেকে উল্লেখ করছেন।
ভোটের বিনিময়ে সুবিধা গ্রহণের প্রসঙ্গে নুর বলেন, আমরা তরুণ প্রজন্মকে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাই। কিন্তু যদি তারাই সুবিধার বিনিময়ে ভোট দেয়, তাহলে সেটা জনসচেতনতার অভাবেরই প্রতিফলন।” তিনি আরও বলেন, “গ্রামে দেখা যায় ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকায় মানুষ ভোট বিক্রি করে দেয়। তখন অযোগ্য মানুষ নেতৃত্বে আসে। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণরাও যদি একই কাজ করে, তবে সেটি উদ্বেগজনক।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা এবং সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী।
তাসনিম জারা বলেন, দেশে দাবি আদায়ের জন্য প্রতিবাদ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। তিনি বলেন, আমাদের এই বাস্তবতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, আদর্শিক ভিন্নমতের কারণে আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করিনি। সেখানে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস প্রতিফলিত হয়নি বলে মনে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সংবিধানে কোথাও গণভোটের বিধান নেই। এই মুহূর্তে গণভোটেরও কোনো প্রয়োজনীয়তা দেখি না। সকাল ১১টার মধ্যে ৫টা সংস্কার কমিশনের খবর নেই, আর ৬টা কমিশনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি।
কেএমএ
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৩ আগস্ট)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ আগস্ট) r
- BANZI নির্বাচন: জয়-পরাজয়ের বাইরে কমিউনিটির আমানত ও প্রত্যাশা
- ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিসিইউতে স্থানান্তরের রোডম্যাপ প্রকাশ
- ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি ডার্ক ওয়েবে বিক্রির দাবি
- স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন, প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমান
- রোববার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ
- তেজগাঁও কলেজে মঞ্চে উঠছে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’
- বাংলাদেশ স্কাউটসে নবম গ্রেডে চাকরির সুযোগ
- ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার তারিখ জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- বোর্ড সচিব বাবা, টেনেটুনে পাস করা ছেলের ফল জিপিএ-৫
- টাকার বিনিময়ে ১২০০ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন
- বাসায় ঢুকে মডেলকে কুপিয়ে হ'ত্যা