ঢাকা, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২
আজ আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস
ইনজামামুল হক পার্থ
রিপোর্টার
ইনজামামুল হক পার্থ: প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আজ বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস’। জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি ও বিপদ মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সমন্বিত উদ্যোগ, প্রতিরোধ করি দুর্যোগ’।
১৯৮৯ সাল থেকে জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতিবছর ১৩ অক্টোবর দিনটি পালিত হয়ে আসছে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প কিংবা খরা-প্রতিটি দুর্যোগ মানবজীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। গত দুই দশকে দেশে ১৮৫টির বেশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হেনেছে, যার অধিকাংশের ভয়াবহতা সবচেয়ে বেশি ছুঁয়ে গেছে উপকূলীয় এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে।
জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক সময় অনুমানের চেয়ে বেশি হয়। তাই ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এজন্য সরকারি বাজেট ও আন্তর্জাতিক সহায়তায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি, যাতে ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো আরও স্থিতিশীল ও ঝুঁকি-সচেতন হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে দুর্যোগজনিত মৃত্যু, বাস্তুচ্যুতি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির হার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। যথাযথ বিনিয়োগ ছাড়া এসব দেশে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্তি অর্জন কঠিন হয়ে পড়ছে।
দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে আন্তর্জাতিকভাবে দিকনির্দেশনা দেয় ‘সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ফর ডিআরআর (২০১৫-২০৩০)’। এটি একটি বৈশ্বিক চুক্তি, যা সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে দুর্যোগ থেকে উন্নয়ন অর্জন রক্ষা ও টেকসই ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে। এই দিবসটি মূলত সেই লক্ষ্যগুলোর অগ্রগতি মূল্যায়ন ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্যোগ মোকাবিলায় কেবল সরকার নয়, প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ অপরিহার্য। পরিবার ও সমাজস্তরে দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং সময়মতো সঠিক পদক্ষেপই পারে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি অনেকটা কমিয়ে আনতে। তাই আজকের দুর্যোগ প্রশমন দিবস হোক ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত সচেতনতার নতুন অঙ্গীকার।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে শাহজীবাজার পাওয়ার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এপেক্স ট্যানারি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইজেনারেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং
- ইপিএস প্রকাশ করবে ৫৮ কোম্পানি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইনটেক
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বার্জার পেইন্টস