ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

ঢাবিতে ‘চিন্তার চাষ ক্ষুদে গবেষক’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

২০২৫ অক্টোবর ১১ ২১:০৪:৩২

ঢাবিতে ‘চিন্তার চাষ ক্ষুদে গবেষক’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: "পথচলা, আলোর সাথে" প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে "১০ম চিন্তার চাষ ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন ২০২৫"। স্বেচ্ছাসেবী গবেষণা সংগঠন 'চিন্তার চাষ'-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ ৭ম থেকে ১০ম শ্রেণির প্রায় সাড়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তারা নিজ নিজ গবেষণাপত্র ও ধারণাপত্র উপস্থাপন করে ভবিষ্যতের গবেষণা সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক সদস্য ড. মোবারক আহমেদ খান। তিনি বলেন, "দেশের গবেষণাকে আমাদের নিজস্ব সম্পদ ও অনুষঙ্গের ওপর নির্ভর করতে হবে। আজ যারা স্কুল পর্যায়ে গবেষণা করছে, তাদের মনিটরিং করতে হবে, তারাই হবে ভবিষ্যতের প্রকৃত বিজ্ঞানী।" সম্মেলনে অধ্যাপক ড. উপমা কবির গবেষণার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ—প্রশ্ন করা, সমস্যা যাচাই করা এবং সমাধানে প্রয়াসী হওয়া—নিয়ে আলোকপাত করেন।

আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ক্ষুদে গবেষকদের একশত গবেষণা, সাতটি ধারণাপত্র ও ১২টি গবেষণাপত্রের পোস্টার প্রদর্শিত হয়। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধ শতাধিক শিক্ষক ও গবেষক বিচারকার্যে অংশ নেন।

সন্ধ্যায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, "আমাদের সময়ে পড়াশোনার একমাত্র লক্ষ্য ছিল ডিপ্লোমা অর্জন করা। এখন ডিপ্লোমার মূল্য নাই। বড় বড় কোম্পানি এখন আর ডিগ্রি দেখছে না, যোগ্যতা দেখছেন। সুতরাং এখন এমন পড়াশোনা করার চেয়ে পড়াশোনা কী কাজে লাগবে তা বেশি করে ভাবতে হবে।" তিনি জাতি হিসেবে গবেষণায় পিছিয়ে থাকার কথা উল্লেখ করে ইসরায়েলের উদাহরণ দেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আগামীতে এই ক্ষুদে গবেষকরা জ্ঞান-বিজ্ঞানে নোবেল অর্জন করবে।

এসপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত