ঢাকা, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২

জামায়াতের গোপন রাজনীতি বন্ধের আহ্বান রাশেদ খানের 

২০২৫ অক্টোবর ০৩ ১৪:৪৯:১৪

জামায়াতের গোপন রাজনীতি বন্ধের আহ্বান রাশেদ খানের 

নিজস্ব প্রতিবেদক: গোপনে অন্য রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনে নিজেদের কর্মী ঢোকানোর অভিযোগ তুলে এ ধরনের 'গোপন রাজনীতি' বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তার দাবি, জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে অন্য দলে লোক বসিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে, যার ফলে গণঅধিকার পরিষদ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আজ শুক্রবার নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। সেখানে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে জামায়াত ও শিবির তাদের রাজনৈতিক কৌশল মধ্যপন্থী ধারার দিকে সরিয়ে নিয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, জামায়াত-শিবিরের ‘অন্য দলে নিজেদের কর্মী যুক্ত করার’ কৌশল রাজনৈতিক অঙ্গনের স্বচ্ছতা ও আস্থা নষ্ট করছে। তিনি আরও বলেন, এই নীতির কারণে শুধু রাজনৈতিক দলই নয়, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সন্দেহ, সংশয় ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে দলগুলোর ভেতরে।

রাশেদ খান অভিযোগ করেন, বাম, ডান বা মধ্যপন্থী কোনো দলই এই গোপন নীতির বাইরে থাকছে না। এমনকি যেসব সংগঠন রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াই চলার কথা, সেখানেও জামায়াত-শিবির কর্মীরা গোপনে জায়গা করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ তার।

তিনি বলেন, যদি জামায়াত-শিবির সত্যিই মধ্যপন্থী রাজনীতিতে আসতে চায়, তাহলে সেটা স্বাগত জানানো যায়। তবে তাদের রাজনীতি হতে হবে পুরোপুরি স্বচ্ছ এবং পরিচয়প্রকাশভিত্তিক। অন্যথায়, তারা পুরো রাজনৈতিক কাঠামোকে বিপর্যস্ত করে দেবে এবং বিরাজনীতিকরণের পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

ইসলামপন্থী রাজনীতি প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, "পলিটিক্যাল ইসলাম বলে কিছু নেই। ইসলাম কায়েম ও শরিয়া প্রতিষ্ঠার মাঝপথে কোনও কৌশল সফল হয় না। বরং এতে ইসলামকেই বিভ্রান্তির মুখে ফেলা হয়।"

তিনি সবশেষে বলেন, ইসলামিক রাজনীতি করতে চাইলে সেটি স্পষ্টভাবে করতে হবে। আর যদি মধ্যপন্থী রাজনীতি করতে চায়, তবু সেটিও সরাসরি করতে হবে। গোপন কৌশল ও পরিচয় গোপনের রাজনীতি বন্ধ না হলে, ইসলামের সুনাম এবং দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্য – উভয়ই হুমকির মুখে পড়বে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন