ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩
ডাকসু নিয়ে ঢাবি প্রশাসনের জবাবে ক্ষোভ ছাত্রদলের
নিজস্ব প্রকিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ‘ভিত্তিহীন ও অস্পষ্ট’ আখ্যায়িত করে পাল্টা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রার্থীরা যে আবেদন জমা দিয়েছিলেন এবং ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষ থেকে যে ১১টি অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছিল, সেগুলো যথাযথভাবে বিশ্লেষণ বা পর্যালোচনা না করেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে বিবৃতি দিয়েছে।
ছাত্রদল নেতারা দাবি করেন, ভোটার উপস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সন্দেহ দূর করতে হলে নির্বাচনের দিনের পূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা অপরিহার্য। যেহেতু এই ফুটেজ পাবলিক ডকুমেন্ট নয়, তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে প্রার্থীরা ব্যক্তিগতভাবে তা দেখার আবেদন করেছিলেন। ডাকসু ও হল সংসদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যে আবেদন করেও বারবার প্রশাসনের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনে সুনির্দিষ্ট ১১টি অনিয়মের অভিযোগ জানানো হয়। তবুও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব অভিযোগকে ‘সারবত্তাহীন’ ও ‘অনির্দিষ্ট’ বলেছে, যা ছাত্রদলের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ।
সংগঠনটির সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এসব অভিযোগের স্বচ্ছ সমাধান করবে। তাদের বিশ্বাস, বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে তদন্ত করলে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ পাবে এবং শিক্ষার্থীরা সঠিক উত্তর হাতে পাবেন।
ছাত্রদলের অভিযোগ, ভোটার তালিকা পোলিং এজেন্টদের হাতে না থাকায় প্রকৃত ভোটার উপস্থিতি যাচাই করা যায়নি। নির্বাচনের আগে ছবি ও তথ্য প্রকাশ নিয়ে আইনি জটিলতা থাকলেও শুধুমাত্র উপস্থিতির তথ্য গোপনীয়ভাবে যাচাইয়ের আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন সেই বিষয়টিও উপেক্ষা করেছে, যা তাদের মতে স্বচ্ছতার ঘাটতিকে স্পষ্ট করে।
আরেকদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নীলক্ষেতে ব্যালট পেপার ছাপানোর অভিযোগ অস্বীকার করলেও ছাত্রদল বলছে, বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধান প্রমাণ করেছে যে ব্যালট ছাপানো আসলেই নীলক্ষেতেই হয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি ‘মিথ্যাচার’ ছাড়া কিছু নয় বলে মন্তব্য করেছে তারা।
এ ছাড়া প্রশাসন যখন বলে অভিযোগ দাখিলের দুই সপ্তাহ পর তা উত্থাপন করা হয়েছে, ছাত্রদলের মতে এটি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার অপকৌশল। যথাসময়ে ও সঠিক নিয়মে অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও প্রশাসনের এমন বক্তব্য স্বচ্ছতার পরিপন্থী বলে তারা মনে করে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ শেষ-জেনে নিন ফলাফল
- গান-কবিতায় প্রাণবন্ত ডুপডা’র বৈশাখ উৎসব
- শিক্ষাবৃত্তি দেবে ইবনে সিনা ট্রাস্ট, আবেদন শুরু
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- ১২৩তম প্রাইজবন্ড ড্র: দেখে নিন কোন নম্বরগুলো জিতল
- ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামলো আরও ১০ ব্যাংক
- বিকালে আসছে ৫৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- নতুন ট্রেন্ড: ক্রেয়ন স্টাইলে প্রোফাইল ছবি বানাবেন যেভাবে
- ১:৮ অনুপাতে নতুন পে স্কেল, বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি টাকা
- জাপানের মেক্সট স্কলারশিপে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে আবেদন শুরু
- আর্থিক প্রতিবেদনে নয়ছয়: ৩ অডিট ফার্ম ও ৪ অডিটর নিষিদ্ধ
- এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন নিয়ে যা জানাল মাউশি
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ