ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
গুমের সঙ্গে জড়িতদের তালিকা প্রকাশ ও সংস্থা সংস্কারের দাবি
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিগত দেড় দশকের আওয়ামী শাসনামলে সংঘটিত গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর সংস্কারের দাবি জানিয়েছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি রিফাত রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক হাসান ইনাম এই দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বিগত আওয়ামী শাসনামলে গুম হওয়া ব্যক্তিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। সংগঠনটি জানায়, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের আগে বিরোধী মত দমনের জন্য গুমকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। এ সময়ে বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মী, মানবাধিকার কর্মী এবং গণমাধ্যমকর্মীরাও গুমের শিকার হয়েছেন। এমনকি জুলাই অভ্যুত্থানের সময় নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও রিফাত রশিদের মতো নেতারাও গুমের শিকার হয়েছিলেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ বছরে অন্তত ৬২৯ জন গুম হয়েছেন, যাদের মধ্যে এখনও ১৫৩ জনের কোনো খোঁজ মেলেনি। এসব ঘটনায় র্যাব, ডিবি, ডিজিএফআই এবং এনএসআই-এর মতো রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, 'আয়নাঘর' ও অন্যান্য টর্চার সেলের অস্তিত্বও উদঘাটিত হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিবৃতিতে আরও জানায়, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ছিল গুমের প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত সংস্থাগুলোর সংস্কার। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার 'গুম-সংক্রান্ত কমিশন' গঠন করেছে, তবে এর কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক তথ্য ও আলামত সরিয়ে ফেলার অভিযোগও রয়েছে। বিগত দেড় দশকে গুম-খুনে জড়িতদের তালিকা প্রকাশে অনীহা দেখা যাচ্ছে, যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ব্যর্থতা এবং হাজারো শহীদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে উল্লেখ করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে তিনটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে:১. সকল নিখোঁজ ব্যক্তিকে অবিলম্বে খুঁজে বের করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।২. বিগত দেড় দশকে গুমের সঙ্গে জড়িত ডিজিএফআই, এনএসআই, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং এসব সংস্থার আমূল সংস্কার করতে হবে।৩. অবশিষ্ট আয়নাঘর, টর্চার সেল ও গোপন বন্দিশালাগুলো চিহ্নিত করে সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করতে হবে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মাহমুদ আলমের মৃত্যু, উপাচার্যের শোক
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারিতে বাংলাদেশিরা কি অংশ নিতে পারবে? জানুন বিস্তারিত
- জেনে নিন আজকের বাজারে ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ অক্টোবর)
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কত? জেনে নিন
- ১৫ দিনের ব্যবধান দুইবার হবে শারদীয় দুর্গাপূজা
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন কবে, জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা
- ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা: ঢাবির সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম কত? জেনে নিন
- এসএসসির টেস্ট পরীক্ষা ২৮ অক্টোবর থেকে, ফল প্রকাশ ১৫ নভেম্বর
- নভেম্বরে টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ, যারা পাবেন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ অক্টোবর)
- ‘অনেক শিশুকে চুমু দিয়েছি, আমাকে মারার সাহস আছে?’