ঢাকা, রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২
গুমের সঙ্গে জড়িতদের তালিকা প্রকাশ ও সংস্থা সংস্কারের দাবি

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিগত দেড় দশকের আওয়ামী শাসনামলে সংঘটিত গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর সংস্কারের দাবি জানিয়েছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি রিফাত রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক হাসান ইনাম এই দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বিগত আওয়ামী শাসনামলে গুম হওয়া ব্যক্তিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। সংগঠনটি জানায়, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের আগে বিরোধী মত দমনের জন্য গুমকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। এ সময়ে বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মী, মানবাধিকার কর্মী এবং গণমাধ্যমকর্মীরাও গুমের শিকার হয়েছেন। এমনকি জুলাই অভ্যুত্থানের সময় নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও রিফাত রশিদের মতো নেতারাও গুমের শিকার হয়েছিলেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ বছরে অন্তত ৬২৯ জন গুম হয়েছেন, যাদের মধ্যে এখনও ১৫৩ জনের কোনো খোঁজ মেলেনি। এসব ঘটনায় র্যাব, ডিবি, ডিজিএফআই এবং এনএসআই-এর মতো রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, 'আয়নাঘর' ও অন্যান্য টর্চার সেলের অস্তিত্বও উদঘাটিত হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিবৃতিতে আরও জানায়, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ছিল গুমের প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত সংস্থাগুলোর সংস্কার। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার 'গুম-সংক্রান্ত কমিশন' গঠন করেছে, তবে এর কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক তথ্য ও আলামত সরিয়ে ফেলার অভিযোগও রয়েছে। বিগত দেড় দশকে গুম-খুনে জড়িতদের তালিকা প্রকাশে অনীহা দেখা যাচ্ছে, যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ব্যর্থতা এবং হাজারো শহীদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে উল্লেখ করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে তিনটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে:১. সকল নিখোঁজ ব্যক্তিকে অবিলম্বে খুঁজে বের করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।২. বিগত দেড় দশকে গুমের সঙ্গে জড়িত ডিজিএফআই, এনএসআই, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং এসব সংস্থার আমূল সংস্কার করতে হবে।৩. অবশিষ্ট আয়নাঘর, টর্চার সেল ও গোপন বন্দিশালাগুলো চিহ্নিত করে সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করতে হবে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে শেয়ারবাজারের খান ব্রাদার্স
- দুই খবরে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ শেয়ারের চমক
- মূলধন ঘাটতিতে দুই ব্রোকারেজ হাউজ, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- চলতি বছর শেয়ারবাজারে আসছে রাষ্ট্রায়াত্ব দুই প্রতিষ্ঠান
- সাকিবের মোনার্কসহ ৮ ব্রোকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রতারণা, বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করল ডিএসই
- বিএসইসির নতুন মার্জিন বিধিমালার খসড়া অনুমোদন
- বিমা আইন সংস্কার: বিনিয়োগ ও আস্থায় নতুন দিগন্ত
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা
- কোম্পানির অস্বাভাবিক শেয়ারদর: ডিএসইর সতর্কবার্তা
- মার্জারের সাফল্যে উজ্জ্বল ফার কেমিক্যাল
- তিন শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি, ডিএসইর সতর্কবার্তা
- শেয়ারবাজারে রেকর্ড: বছরের সর্বোচ্চ দামে ১৭ কোম্পানি
- শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর প্রথম ‘নো ডিভিডেন্ড’
- ব্যাখ্যা শুনতে ডাকা হচ্ছে শেয়ারবাজারের পাঁচ ব্যাংককে